চৈত্র সংক্রান্তি (৩০ চৈত্র) বাংলা বছরের শেষ দিন এবং পহেলা বৈশাখ নতুন বছরের প্রথম দিন। [১, ৫] চৈত্র সংক্রান্তি হলো পুরনো বছরের জরাজীর্ণতা ও গ্লানি মুছে ফেলার দিন [১], যা উৎসবের মাধ্যমে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে (পহেলা বৈশাখ) সফলতা ও সমৃদ্ধি কামনার প্রতীক [১, ১২]। এটি বাঙালির এক সর্বজনীন লোক উৎসব [১২]।
মূল বৈশিষ্ট্য ও উৎসবের ধরন:
সংক্রান্তির অর্থ: চৈত্র সংক্রান্তি হলো চৈত্র মাসের শেষ দিন, যা বছরের সমাপ্তি নির্দেশ করে [৩]।
সাংস্কৃতিক উৎসব: সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই দিনে বিশেষ পূজা-পার্বণ করে, যেমন—শিবের পূজা [২, ৩]। গ্রামীণ এলাকায় এটি ‘হালখাতা’ উৎসবের প্রস্তুতি হিসেবে পালিত হয়, যেখানে ব্যবসায়ীরা পুরনো খাতা বন্ধ করে নতুন খাতা খোলেন [৯]।
ঐতিহ্যবাহী খাবার: এই দিনে গমের ছাতু, দই ও পাকা বেল দিয়ে বিশেষ শরবত তৈরি করে খাওয়ার রেওয়াজ আছে [৯]।
পহেলা বৈশাখ (সমকাল): চৈত্র সংক্রান্তির পর দিনই হলো পহেলা বৈশাখ, যা নতুন বাংলা বছরকে (যেমন- ১৪৩২ বা ১৪৩৩) স্বাগত জানানোর উৎসব [৭, ১২]।
সমাপনী ও সূচনা: চৈত্র সংক্রান্তি বিদায়ের ও পহেলা বৈশাখ আগমনের বার্তা নিয়ে আসে [৮]। এই দিনগুলোতে নানা অনুষ্ঠান, গান এবং উৎসবের আয়োজন করা হয় [৯]।
চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরনো বছরের সব ব্যর্থতা ও জরাজীর্ণতা ভুলে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়াই হলো এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য