রাঙামাটি সদরসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে এ বছর কৃষকরা সূর্যমুখীর চাষ করেছেন মূলত বীজ ও তেলের জন্য। অনুকূল আবহাওয়া ও তুলনামূলক কম খরচে ভালো ফলনের কারণে এ ফুল চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। তবে শুধু কৃষি নয়, বাগানগুলো এখন দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্র। প্রতিদিন স্থানীয় নারী-পুরুষসহ পর্যটকরা ছুটে আসছেন সূর্যমুখীর বাগানে।
দর্শনার্থী সুস্মিতা চাকমা বলেন, রাঙামাটিতে এ ধরনের সুন্দর বাগান সচরাচর দেখা যায় না। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেড়াতে এসেছি, ভালো লাগছে। এমন বাগান আরো হলে বিনোদনের জন্য নতুন স্থান তৈরি হবে।
কৃষক তুংকা মনি চাকমা বলেন, ‘পানির অভাবে আমাদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি গভীর নলকূপ দেওয়া হতো, তাহলে সামনের বছর আরো বড় পরিসরে বাগান করতে পারতাম।’ রাঙামাটি সদর উপজেলার সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আদেশ প্রিয় বড়ুয়া বলেন, ‘কৃষকদের মাঝে আমরা বীজ ও সার বিতরণ করেছি। আশা করছি চাষিরা আশানুরূপ ফলন পাবেন।’ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তনয় চাকমা বলেন, ‘আমি একটি বাগানে গিয়েছিলাম। সেই বাগানটি তৈরি করতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। ওই বাগান থেকে ২০০ লিটারের মতো তেল উৎপাদন হবে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য হবে দেড় লাখ টাকা। এ বছর রাঙামাটিতে ৭০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে।’