সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

সোনালি মাছের স্বাধীনতা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

ছোট্টমোট্ট ছেলে ফারদিন। একদিন সে বনে গেলো ঘুরতে।
ঘুরতে ঘুরতে সে বনের অনেক গহীনে চলে এলো। তার অনেক পানি খেতে ইচ্ছে করলো। তখনই সে দেখলো ছোট্ট একটি পুকুর। সে আস্তে আস্তে পুকুরের দিকে এগিয়ে গেলো। যদিও ছোট্ট ফারদিন সাঁতার জানে। পুকুর থেকে যখন পানি খেতে যাবে অমনি দেখলো, একটি সোনালি রংয়ের মাছ। ফারদিন ভয় পেয়ে গেলো।
মাছটি বললো, ‘ভয় পেয়ো না। আমাকে তোমার বন্ধু ভাবতে পারো।’
তারপর সোনালি মাছের সঙ্গে ফারদিন অনেক গল্প করলো। ফেরার পথে সোনালি মাছ বললো, ‘তুমি চাইলে তোমার বাড়িতে আমায় নিয়ে যেতে পারো। তবে আমাকে পুকুরে রাখতে হবে। যখন ইচ্ছে হবে তখন পুকুর পাড়ে এসে আমায় ডাক দিলেই তোমার সঙ্গে গল্প করবো।’
ফারদিন বাড়িতে একাই খেলে। বাবা-মা চলে যায় স্কুলে। একাকি তার ভালো লাগে না দিনে। সে অনেক ভেবে সোনালি মাছকে বাড়ির পুকুরে এনে ছেড়ে দিল। ফারদিনদের পাশের গ্রামে একটি মেলা হচ্ছে। সেখানে ফারদিন যাচ্ছে। সোনালি মাছকে বললো, ‘চলো, তোমাকেও নিয়ে যাই।’ তারা মেলায় গেলো। ফারদিন বললো, ‘চলো, আমরা দোলনায় উঠি।’ সোনালি মাছ কখনও দোলনায় ওঠেনি। দোলনায় ওঠার আনন্দে সে আরও সোনালি হয়ে গেলো। সে বললো, ‘হুর-রে-রো…।’ তারা ফুচকা খেলো। তারপর নাগরদোলায় চড়লো। নাগরদোলায় ওপর থেকে পুরো মেলা দেখলো ফারদিন ও সোনালি মাছ। ওরা খেলনা ট্রেনেও চড়লো। কখন যে সন্ধ্যা হয়ে এলো বুঝতেই পারলো না। ফারদিনদের বাড়ি যাওয়ার সময় হলো। দুই বন্ধু বাড়ি ফিরলো। পুকুরের পানিতে সোনালি মাছকে রেখে ফারদিন বিদায় নিল। আর একে অন্যকে বললো, ‘আবার দেখা হবে।’
এই বলে যেই ফারদিন ঘরে এলো তখন মা তাকে কাছে ডেকে বলেন, ‘এই যে আজ সারাটা দিন তুমি ইচ্ছে মতো ঘুরলে। তারও আগে একদিন সোনালি মাছকে নিয়ে এলো; এটাই হচ্ছে স্বাধীনতা। নিজের যখন যা খুশি তা করতে পারাই স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা একসময় আমাদের ছিল না। আমরা ছিলাম পরাধীন। একাত্তর সালে আমাদের দেশের সাহসী যোদ্ধারা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে আমাদের। আমরা এমন কিছু করবো না, যাতে শহীদদের অসম্মান করা হয়।’
ফারদিন বলে, বুঝতে পেরেছি মা।
বয়স : ২+২+৩+৩ বছর; চতুর্থ শ্রেণি, পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com