সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

স্মরণে মহানায়িকা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ‘নায়িকা’ শব্দটির সঙ্গে যার নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে, তিনি সুচিত্রা সেন। রূপ, অভিনয় আর রহস্যময় ব্যক্তিত্বে যিনি হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির চিরকালের মহানায়িকা। আজ এই নায়িকার দ্বাদশ মৃত্যুবার্ষিকী।

দিনটি উপলক্ষে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, পাবনা তাঁর পৈতৃক বাড়িতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

পাবনার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা জানান, সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে নানা আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর পৈতৃক বাড়ি নিয়ে সরকারের একটি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে বাড়িটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁর স্মৃতিকে চিরজাগরুক রাখার চেষ্টা চলছে।

চলচ্চিত্রে সুচিত্রা সেনের প্রথম কাজ ‘শেষ কোথায়’ (১৯৫২)। তবে অজানা কারণে ছবিটি মুক্তি পায়নি। এরপর ১৯৫৩ সালে মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে অভিনয় করে দর্শকমনে স্থায়ী জায়গা করে নেন তিনি।

১৯৭৮ সালের পর অভিনয় জীবন থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন সুচিত্রা সেন। ‘প্রণয়পাশা’ ছবিতে অভিনয়ের পর হঠাৎ করেই তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। দীর্ঘ সময় অন্তরালে থেকেও তাঁর জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি।

বাংলা চলচ্চিত্রের গৌরবময় ইতিহাস বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীর আগমনে সমৃদ্ধ হলেও, সেই ভিড়ের মধ্যেই সুচিত্রা সেন ছিলেন একেবারেই স্বতন্ত্র। মায়াভরা মুখ, নির্মল হাসি আর সংযত অভিনয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে রোমান্টিক ধারার সূচনা করেছিলেন তিনি।

অভিনয় জগতে আসার আগেই তাঁর বিয়ে হয়েছিল– সে কথা অকপটে স্বীকার করেই তিনি চলচ্চিত্রে নাম লিখিয়েছিলেন, যা বর্তমান সময়ে কল্পনাতীত।

১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল তৎকালীন বৃহত্তর পাবনার সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সেনভাঙাবাড়ি গ্রামে, নানা রজনীকান্ত সেনের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন সুচিত্রা। তাঁর দাদার বাড়ি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায়। ফলে শৈশব ও কৈশোরের একটি বড় সময় কেটেছে পাবনার গোপালপুর মহল্লার হিমসাগর লেনের একতলা পাকাবাড়িতে।

শুধু বাংলা চলচ্চিত্রেই নয়, হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন এই কিংবদন্তি। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুচিত্রা। তবে পর্দার আড়ালে চলে গেলেও স্মৃতিতে, ভালোবাসায় আর বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি রয়ে গেছেন অমর।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com