সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

জিআই সনদে বাড়ছে রপ্তানি সম্ভাবনা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে
দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি বাড়ছে, যা রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় সম্ভাবনা। সম্প্রতি জিআই সনদ পেয়েছে আরো সাতটি পণ্য। এ নিয়ে বাংলাদেশে জিআই পণ্যের সংখ্যা ৬২টিতে দাঁড়াল। নতুন স্বীকৃতি পাওয়া পণ্যগুলো হলো—মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, কালীগঞ্জের তোয়ালে, ফরিদপুরের পাট, মেহেরপুরের হিমসাগর আম, ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি, মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা ও নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি।

প্রতিনিধিদের প্রতিবেদনে এ নিয়ে থাকছে কালের কণ্ঠের বিশেষ আয়োজন 

 

বাংলাদেশের পাটশিল্পের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে ফরিদপুরের নাম। যুগের পর যুগ ধরে সেরা মানের পাট উৎপাদনের সুবাদে এই জেলা পরিচিত হয়েছে ‘সোনালি আঁশের রাজধানী’ হিসেবে। নদ-নদীঘেরা উর্বর অববাহিকা, দোআঁশ মাটি, অভিজ্ঞ কৃষক ও প্রজন্মজুড়ে গড়ে ওঠা কৃষি সংস্কৃতি ফরিদপুরকে গড়ে তুলেছে দেশের অন্যতম শক্তিশালী পাট উৎপাদন অঞ্চলে। সম্প্রতি ফরিদপুরের পাট ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এই ঐতিহ্যবাহী সোনালি আঁশ এখন আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন মর্যাদা ও পরিচয়ে জায়গা করে নিতে প্রস্তুত।

 

বছরের নির্দিষ্ট সময়ে যখন ফরিদপুরের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাটগাছ দোলে, তখন সেটি এখানে শুধু কৃষিকর্ম নয়—এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ধারার অংশ। জমি তৈরি থেকে বীজ বপন, আগাছা পরিষ্কার, কাটাই, রেটিং, আঁশ ছাড়ানো—সব মিলিয়ে একটি প্রজন্মান্তরের শ্রম ও দক্ষতার ফসলই হচ্ছে বিশ্বখ্যাত ফরিদপুরের পাট।

পদ্মা, গড়াই, কুমার, বারাশিয়া নদীর পানিপ্রবাহ এই অঞ্চলের মাটিকে দিয়েছে অনন্য গুণ। দোআঁশ মাটি পাটগাছকে করে তোলে লম্বা, আর এর আঁশ হয় উজ্জ্বল, শক্ত ও টেকসই।

স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে আন্তর্জাতিক ক্রেতা—সবাই আলাদা মর্যাদায় দেখেন ফরিদপুরের পাটকে। 

ব্রিটিশ আমল থেকেই নওপাড়া, কামারখালী, বোয়ালমারী ঘাট হয়ে নৌকায় ভরে পাট যেত কলকাতার বিখ্যাত জুট মিলগুলোতে। তখনই ‘ফরিদপুর পাট’ বাজারে ছিল আলাদা একটি ব্র্যান্ড। আজও সেই ঐতিহ্য বহন করছেন এখানকার কৃষকরা।

উৎপাদনে দেশের শীর্ষে ফরিদপুর : বাংলাদেশে মোট পাট উৎপাদনের বড় অংশই আসে ফরিদপুর থেকে।

ধান, গম বা সবজি উৎপাদনের প্রতিযোগিতা থাকা সত্ত্বেও পাট এখনো এই অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল। এই মৌসুমে পাট আবাদ হয়েছে ৮৬ হাজার ৫৩১ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় দুই লাখ টন। যার বাজারমূল্য দুই হাজার কোটি টাকারও বেশি। 

চ্যালেঞ্জ : খরচ বাড়ছে, শ্রমিক সংকট, প্রযুক্তির অভাব। যদিও পাট চাষ লাভজনক, তবে কৃষকরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হন। উন্নত জাতের বীজের সংকট, রেটিংয়ের জন্য উপযুক্ত জলাশয়ের অভাব, শ্রমিক সংকট, সংরক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ঘাটতি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com