সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

দাগহীন কোমল ত্বক

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা দূর করতে নিম, চন্দনের গুড়া, গোলাপ জল দিয়ে প্যাক তৈরি করা যেতে পারে। এছাড়াও অ্যালোভেরা জেল, ট্রি টি অয়েল, মুলতানি মাটি ব্যবহার করেও প্যাক তৈরি করা যায়। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে

শীতের প্রভাব ত্বকে বেশ ভালোভাবেই পড়ে। চেহারার অবস্থা একেবারে নাজেহাল করে দেয়। বিশেষ করে অনেকের ত্বকে ব্রণ, কালো দাগসহ নানা সমস্যা দেখা যায়। মানসিক অস্বস্তি থেকে শুরু করে সৌন্দর্যবোধ–সবকিছুর ওপরই ব্রণ ও ব্রণের দাগের প্রভাব রয়েছে। কিশোর বয়সে হোক বা বড় বয়সে–অনেকেই এ সমস্যায় পড়েন। ব্রণ কোথায় হয়, দাগের প্রকৃতি এবং কোন জিনিসগুলো ব্যবহার করলে ব্রণ আরও বেড়ে যায়–এসব বুঝতে পারলে ঘরোয়া যত্নে বেশ ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
রাজিয়া’স মেকওভারের স্বত্বাধিকারী ও রূপবিশেষজ্ঞ রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘ব্রণ হয় যখন ত্বকের লোমকূপের ফলিকলগুলো তেল এবং মৃত কোষ দ্বারা বন্ধ হয়ে যায়। এই ব্লক হওয়া থেকে হোয়াইটহেডস, ব্ল্যাকহেডস বা পিম্পল হয়। এ ছাড়া হরমোনাল ইমব্যালান্স, সাধারণ জীবনযাপন এবং খাবারের ধরনের ওপরও নির্ভর করে। তৈলাক্ত ত্বকের ব্রণের সমস্যা দূর করতে নিম, চন্দনের গুঁড়া, গোলাপজল দিয়ে প্যাক তৈরি করা যেতে পারে। এ ছাড়া অ্যালোভেরা জেল, টি ট্রি অয়েল, মুলতানি মাটি ব্যবহার করেও প্যাক তৈরি করা যায়। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশ, শসার রস ও পুদিনা পাতার মিশ্রণ ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখা স্যালিসাইলিক এসিডযুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার করা এবং তেল নিয়ন্ত্রণকারী মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।’
ব্রণ কোথায় এবং কেন হয়?
সাধারণত মুখের যেসব জায়গায় তেলগ্রন্থির কার্যক্রম বেশি সেসব স্থানে ব্রণ বেশি দেখা যায়। যেমন–

কপাল
কপালে ব্রণ হওয়ার মূল কারণ হলো অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ, হরমোনের পরিবর্তন, হেয়ার প্রোডাক্টের রাসায়নিক এবং ময়লা-ধুলো জমা হওয়া।

নাক
নাকের অংশে অয়েল গ্ল্যান্ড বেশি সক্রিয় থাকে। এ জন্য ব্ল্যাকহেড, হোয়াইটহেড এবং বড় লালচে ব্রণ এই জায়গায় বেশি দেখা যায়।

গাল
গালে ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের ব্যাকটেরিয়া, বালিশের কভারের ময়লা, দূষণ, অতিরিক্ত স্কিন টাচ এবং কখনও পিসিওস অথবা হরমোনজনিত সমস্যা।

থুতনি ও চোয়াল লাইন
এটি সাধারণত হরমোনাল অ্যাকনে নামে পরিচিত। পিরিয়ডের আগে-পরে, হরমোনের ওঠানামা ব্রণ বাড়ায়।

অস্বাস্থ্যকর খাবার
জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত চিনি, দুগ্ধজাত খাবার– এগুলো অনেকের ত্বকে ইনফ্লেমেশন বাড়িয়ে ব্রণ সৃষ্টি করে।

ভুল স্কিনকেয়ার অভ্যাস
অতিরিক্ত মেকআপ, তেলযুক্ত ক্রিম ব্যবহার, মুখ না ধুয়ে ঘুমানো এসব অভ্যাস ব্রণ আরও বাড়ায়।

স্ট্রেস ও ঘুমের অভাব
মাইন্ড-স্কিন কানেকশনের কারণে অনেক সময় স্ট্রেস বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলে ব্রণও বাড়ে। ঘুম কম হলে ব্রণ বৃদ্ধি পায়।

কালো দাগ কেন হয়
ব্রণ সেরে গেলেও বহুদিন ত্বকে গাঢ় দাগ থেকে যায়। এর মূল কারণ–ব্রণ খোঁচানো বা চাপ, ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ, রোদে যাওয়ার সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা, অতিরিক্ত ঘষাঘষি ইত্যাদি। যখন ত্বকে প্রদাহ বাড়ে, তখন সেখানে মেলানিন বেশি তৈরি হয় এবং দাগ গাঢ় হয়ে যায়।
ব্রণ হলে যা করবেন না

ব্রণ খোঁচাবেন না 
ব্রণ খোঁচালে দাগ স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। এতে ত্বকের ভেতরে প্রদাহ বাড়ে এবং দাগ আরও গাঢ় হয়।

অতিরিক্ত মুখ ধোয়া বা স্ক্রাব করা
অনেকে মনে করেন মুখ বেশি ধোয়ার পর বা ঘন ঘন স্ক্রাব করলে ব্রণ কমে। আসলে এতে ত্বক শুকিয়ে গিয়ে উল্টো আরও তেল উৎপন্ন করে।

ভারী মেকআপ ব্যবহার
অয়েলবেজড ফাউন্ডেশন বা ঘন মেকআপ ব্রণ আরও বাড়ায়। প্রয়োজনে হালকা, নন কোমেডোজেনিক পণ্য ব্যবহার করা উচিত।

নোংরা ফোন স্ক্রিন বা বালিশ কভার
নোংরা ফোন স্ক্রিন বা বালিশ কভার ব্যবহার করলে মুখে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে যায় এবং তা থেকে ব্রণ বাড়ে। তাই এসব পরিষ্কার রাখা জরুরি।
মডেল: প্রকৃতি ও ঊর্মি
ছবি: মঞ্জু আলম

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com