সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

প্রবাসজীবন কাটিয়ে বিলে মিশ্র খামার গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ায় বহু বছর প্রবাসজীবন কাটিয়ে নিজের এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির স্বপ্ন নিয়ে ফিরেছিলেন আবু নাছির মিয়াজী। তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে ‘আল হামিদ এগ্রো ফার্ম’ নামে। কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের কাদলা গ্রামের বিলের মাঝখানে গড়ে উঠেছে এই মিশ্র খামার।

জানা গেছে, ২০২২ সালে গড়ে ওঠে আল হামিদ এগ্রো ফার্ম। তিন বছরের ব্যবধানে খামারটিতে যুক্ত হয়েছে নানা সম্ভাবনাময় উপাদান। এই খামারে বর্তমানে রয়েছে– শতাধিক গাড়ল, ২ হাজারের বেশি হাঁস, ভেড়া ১০০টি, ছাগল, দুটি পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ এবং বিদেশি প্রজাতির নারিকেল ও সুপারি গাছ। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ চাষাবাদ ও পশুপালনের কারণে খামারটি এখন এলাকাবাসীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিদিনই অনেকে খামারটি দেখতে আসেন। প্রবাস থেকে ফিরে নিজ এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যই ছিল আবু নাছিরের মূল প্রেরণা। গাড়ল পালন এখন পুরো কাদলা এলাকায় আলোচনার বিষয়। আগের ভেড়ার জায়গা দখল করে নিয়েছে গাড়ল। আকারে বড়, মাংস উৎপাদন বেশি, দ্রুত বংশবৃদ্ধি– এসব কারণে গাড়ল পালনকে ভবিষ্যতে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখছেন এই উদ্যোক্তা।

আবু নাছির মিয়াজী বলেন, দেশে ফিরে ভেবেছিলেন এমন কিছু করবেন, যাতে এলাকার মানুষ কাজ পায়। বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা নারিকেল ও সুপারি গাছ এখন অনেকটাই বড় হয়েছে। গাড়ল, হাঁস, মাছ সব মিলিয়ে একটি বড় এবং আধুনিক খামার গড়ে তুলতে চান তিনি। বর্তমানে খামারে ১০-১২ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন। খাবার সরবরাহ, মাছের ট্যাংকের তদারকি, গাছের পরিচর্যা সবকিছুই চলে নিয়মমাফিক।

খামারের ম্যানেজার বশির উল্যাহ রোকন বলেন, উদ্যোক্তা আবু নাছির মিয়াজীর পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে খামারটি এখন অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যেই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সাওকাত হোসেন সুমন বলেন, কচুয়ায় প্রথমবারের মতো গাড়ল পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন আবু নাছির। এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এতে এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে। সরকারি পর্যায়ে ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: সমকাল

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com