সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

অর্থাভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে সরকারি শিশু হাসপাতাল নেই। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একটি হাসপাতাল নির্মাণের অনুমোদন মেলে। কাজও শুরু হয়। কিন্তু অর্থসংকটে বন্ধ হয়ে গেছে সেই কাজ।

এক বছর ধরেই বন্ধ আছে হাসপাতালের নির্মাণকাজ। আবার কবে শুরু হবে সেই কাজ কেউ বলতে পারছে না। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাজ শুরু হওয়ার আগে প্রায় পাঁচ বছর প্রকল্পটি ঝুলে ছিল জমি না পাওয়ায়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিশু হাসপাতালের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই শিশু হাসপাতাল নির্মাণ হওয়ার কথা। 

গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। হাসপাতাল নির্মাণের খবরে নগরবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছিল স্বস্তি। কিন্তু কাজ বন্ধ থাকায় তারা হতাশ।

 

বর্তমানে শিশুদের চিকিৎসা হয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে এত চাপ যে একটি বেডে তিনটি শিশুকে রাখতে হয়। ওয়ার্ডে পা ফেলার জায়গা থাকে না। চরম দুর্ভোগ সয়ে এখানে চিকিৎসা নিতে হয়।

জেলাবাসীর প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় সরকারের বিশেষ বরাদ্দের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ নগরীতে একটি আধুনিক শিশু হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

কাজটি করার জন্য প্রায় সাত বছর আগে প্রশাসনিক অনুমোদনও মেলে। প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার পর জমির সন্ধানে নামে গণপূর্ত বিভাগ। আধুনিক মানের এই হাসপাতাল করতে কমপক্ষে তিন একর জমি প্রয়োজন। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে অনেক দেন-দরবার আর আলোচনা চললেও জমির সন্ধান মেলে না। কোথাও জমি পাওয়া গেলেও মালিকানা নিয়ে জটিলতা নিয়ে দেখা দেয়। অবশেষে জেলা প্রশাসন নগরীর বাইপাস মোড়ে জমি বুঝিয়ে দেয় গণপূর্ত বিভাগকে। এরপর গণপূর্ত বিভাগ ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে। 

গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শিশু হাসপাতালটি নির্মাণে ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ১২ সেপ্টেম্বর ঠিকাদারকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্প স্থানে বালু ফেলা শুরু করে। কাজও এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। প্রাথমিকভাবে এটি দোতলা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। পরে আরো তলা বাড়বে। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। টাকা বরাদ্দও বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রাখে। গণপূর্ত বিভাগের ভাষ্যমতে, প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার মতো কাজ হয়েছে।

এ ব্যাপারে কাজটির দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইফতেখার বলেন, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেছে। বরাদ্দও বন্ধ হয়ে গেছে। তাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আপাতত কাজ করছে না। তবে কাজটি শুরুর ব্যাপারে তাদের চেষ্টা আছে।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com