রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র, যেখানে প্রতিটি কোনায় গড়ে উঠছে আকাঙ্ক্ষা ও উন্নয়নের গল্প, সেখানেই ২০০৫ সাল থেকে শান্তা হোল্ডিংস লিখে চলেছে নিজেদের অগ্রযাত্রার এক অনন্য ইতিহাস। শহুরে মানুষের জীবনযাত্রা বদলে দেওয়ার সেই স্বপ্ন আজ দাঁড়িয়ে আছে উদ্ভাবন, আস্থা ও উৎকর্ষের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে।
৫৫টিরও বেশি প্রকল্পে এক কোটি বর্গফুটের আয়তনের বেশি এলাকা সফলভাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে শান্তা হোল্ডিংস স্থাপন করেছে গুণগত মান, নকশা ও নির্মাণে নতুন মানদণ্ড। প্রতিটি প্রকল্পই বিলাসবহুল নগরজীবনের প্রতিচ্ছবি, যেখানে স্বাচ্ছন্দ্য, নান্দনিকতা ও স্থায়িত্ব মিলেমিশে তৈরি করে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
আস্থা ও প্রতিশ্রুতির এই ধারাকে অটুট রেখে শান্তা হোল্ডিংস এগিয়ে যাচ্ছে বৃহত্তর পরিসরে একই মান ও সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে। সেই যাত্রার পরবর্তী অধ্যায় শুরু হচ্ছে শহরের অন্যতম নিরাপদ ও পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা বসুন্ধরায়।
ডি ব্লকের একটি কর্নার প্লটে শান্তা নির্মাণ করেছে ‘স্বপ্ননীড়’। বসুন্ধরার প্রাণবন্ত আবাসিক পরিবেশে তাদের প্রথম প্রকল্প, যেখানে প্রতিটি কোণে ফুটে উঠেছে যত্ন ও নান্দনিকতা।
১৪ তলা এই ভবনটিতে রয়েছে ৪৮টি আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট, প্রতিটির সঙ্গে বরাদ্দ দুটি করে পার্কিং স্পেস। তিন দিক খোলা নকশা এবং সামনে ৬০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা প্রতিটি বাসায় এনে দেয় খোলামেলা পরিবেশ ও প্রশান্তির অনুভূতি। সবুজে ঘেরা সুপরিকল্পিত বাগান ও উত্তর-দক্ষিণমুখী ডিজাইন নিশ্চিত করে বছরজুড়ে আলো ও বাতাসের নির্মল প্রবাহ।
স্থাপত্য, ইন্টেরিয়র, লাইটিং ও ল্যান্ডস্কেপ—সব ক্ষেত্রেই দেশি ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরামর্শকদের সমন্বয়ে স্বপ্ননীড় হয়ে উঠেছে এক অভিজাত স্থাপত্য নিদর্শন।
প্রবেশপথের ডবল হাইট লবি, অভ্যন্তরে শান্ত জলাধার ও দেয়ালজুড়ে শিল্পকর্মের মেলবন্ধন প্রকল্পটিকে দেয় এক শিল্পসম্মত আবহ। এই আবাসিক প্রকল্পে ব্যবহৃত প্রতিটি উপকরণ বেছে নেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের সেরা ব্র্যান্ড থেকে। যাতে প্রতিটি ইঞ্চিতে প্রতিফলিত হয় গুণগত মান ও স্থায়িত্ব। প্রকল্পে রয়েছে আধুনিক জীবনযাপনের সব সুবিধা—সম্পূর্ণ সজ্জিত জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল, স্টিমরুম, আউটডোর লাউঞ্জ ও ছাদে বারবিকিউ জোন। বাসিন্দাদের সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে সম্পূর্ণ সাজানো পার্টি লাউঞ্জ।
নিরাপত্তা সুবিধা নিশ্চিত করতে রয়েছে উন্নত ফায়ার ফাইটিং ও ডিটেকশন সিস্টেম, ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি এবং সম্পূর্ণ পাওয়ার ব্যাকআপ। দিনে স্বপ্ননীড় ছড়িয়ে দেয় স্নিগ্ধ ও মার্জিত সৌন্দর্য, আর রাতে মনোমুগ্ধকর ডিজাইনের লাইটিংয়ে জেগে ওঠে এক স্বপ্নময় আবহ।
শান্তা হোল্ডিংসের পরিচালক সাইফ খন্দকার বলেন, ‘স্বপ্ননীড়ের সফলতার পর এরই ধারাবাহিকতায় বসুন্ধরায় শান্তা নির্মাণ করছে আরো ১০টি সুপরিকল্পিত আবাসিক প্রকল্প, যেখানে থাকবে ৫০০টিরও বেশি অ্যাপার্টমেন্ট এবং একটি আধুনিক ডেস্টিনেশন মল। ঢাকায় পরিকল্পিত শপিং মল এখনো সীমিত। তাই বর্তমান প্রজন্মের ক্রেতা ও বিনোদনপ্রেমীদের জীবনধারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই মলটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে। আমরা এরই মধ্যে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জমিকে রূপান্তর করেছি ল্যান্ডমার্কে, আর সেই ধারাবাহিকতা এখন বসুন্ধরায়ও অব্যাহত থাকবে।’