সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

দাঁত বাঁচাতে রুট ক্যানেল

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে
দাঁত ব্যথার আদি চিকিৎসা, সেটি অপসারণ বা ‘তুলে ফেলা’। এতে ব্যথার স্থায়ী সমাধান হলেও ফাঁকা স্থানে সংক্রমণের আশঙ্কা রয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে খাওয়াদাওয়া বা কথা বলতেও সমস্যা হতে পারে। তাই দন্ত চিকিৎসায় এখন রুট ক্যানেল করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

কখন রুট ক্যানেল করাবেন?

► যদি দাঁতের মজ্জায় ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে বা প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

► দাঁতক্ষয়, চোয়ালে আঘাত বা মাড়ির রোগে যখন দাঁতের মজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রুট ক্যানেলের ধাপ

প্রথমে দাঁতের সংক্রমিত মজ্জা ও স্নায়ু অপসারণ করা হয়। ফাঁপা অংশটি জীবাণুমুক্ত করে বিশেষ এক ধরনের রাবারজাতীয় কৃত্রিম মজ্জা দিয়ে পূরণ করে দাঁতে ফিলিং করা হয়। এর ওপর করা হয় স্থায়ী ফিলিং বা বসানো হয় ক্রাউন।

চিকিৎসার পর দাঁতের যত্ন

► অতিরিক্ত শক্ত হাড় বা আঠালো খাবার যতটুকু সম্ভব এড়িয়ে চলা।

► চিকিৎসার পর দাঁত ও মাড়ি সুস্থ হওয়া পর্যন্ত কিছু অস্বস্তি বা সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। মাড়ির ফোলাভাব সাধারণত দু-তিন দিনের মধ্যে কমে যায়। ঘাবড়াবেন না।

রুট ক্যানেল চিকিৎসায় স্থানীয় অ্যানেসথেটিক ব্যবহূত হয়। ফলে রোগীর খুব বেশি ব্যথা হয় না। এন্ডুমোটর, এপেক্স লোকেটর ও লেজারের মতো আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে এখন রুট ক্যানেল করা হয়। ফলে রোগীর কষ্টও কম হয়, চিকিৎসার সাফল্যের হারও বেশি। তাই ভয় না পেয়ে দাঁতে সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com