ম্যাচ চলাকালে হঠাৎই মাঠের মধ্যে পড়ে যান বরিশাল বিভাগীয় দলের ক্রিকেটার ফজলে মাহমুদ। এরপর তাঁকে যে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেটি নামে মাত্র জরুরি সেবার বাহন। এমনিতে তপ্ত গরম। তার ওপর অ্যাম্বুলেন্সটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ছিল না।
ম্যাচ চলাকালে হঠাৎই মাঠের মধ্যে পড়ে যান বরিশাল বিভাগীয় দলের ক্রিকেটার ফজলে মাহমুদ। এরপর তাঁকে যে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেটি নামে মাত্র জরুরি সেবার বাহন। এমনিতে তপ্ত গরম। তার ওপর অ্যাম্বুলেন্সটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ছিল না।
ভারতের ঘরোয়া লিগগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিটি ম্যাচ ভেন্যুতে অ্যাম্বুলেন্স, সার্টিফায়েড ফিজিও এবং জরুরি প্রয়োজনে ডাক্তার ডাকার ব্যবস্থা আছে। চোটে পড়ার পর খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে বিশ্বমানের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে (শেফিল্ড শিল্ড, বিগ ব্যাশ) প্রতিটি রাজ্য দলে পূর্ণকালীন স্পোর্টস মেডিসিন ইউনিট কাজ করে। খেলোয়াড়দের ফিটনেস, রিহ্যাব, এমনকি মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটেও প্রতিটি ক্লাবের নিজস্ব মেডিক্যাল টিম, পেশাদার স্পোর্টস সায়েন্টিস্ট ও ফিজিও থাকে। বছরে অন্তত দুইবার সম্পূর্ণ মেডিক্যাল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক। ভারতে নতুনভাবে চালু হয়েছে প্লেয়ার হেলথ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যেখানে সব খেলোয়াড়ের শারীরিক সুস্থতার ইতিহাস ও মেডিক্যাল রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে।
এ ধরনের পরিকল্পনা বিসিবিরও রয়েছে জানিয়ে মঞ্জুর আলম বলছিলেন, ‘আমরা সামনে মেডিক্যাল ক্যাম্প করব। বছরে দুইবার ক্রিকেটার, কোচদের এর আওতায় আনা হবে। চলতি মৌসুমেও দলগুলোর সঙ্গে আমরা সিনিয়র চিকিৎসক, ফিজিও যুক্ত করছি। তারপর এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছি। ভালো মানের অ্যাম্বুলেন্স না থাকলে যাতে ভাড়া করে ব্যবস্থা করা হয়।’ ভেন্যু বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়ার বার্তা দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারতের মতো বিশ্বের অন্যন্য দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটার ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের মেডিক্যাল সাপোর্টে তেমন পার্থক্য নেই। বাংলাদেশে ব্যবধান বিস্তর। তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে জরুরি সেবা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

পেশিতে টান পড়ায় মাঠে শুয়ে পড়েন রংপুর বিভাগের পেসার রবিউল হক। এনসিএলের চলতি মৌসুমের প্রথম রাউন্ডে গরমের প্রভাবে পেশির টান পড়ার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।