হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় : বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, ‘বাংলাদেশে হাড়ক্ষয় রোগ পরিস্থিতি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বিএমইউ ও বারডেম যৌথভাবে ছোট আকারে গবেষণা করে। সেখানে দেখা গেছে, ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে এই রোগ বেশি পাওয়া যাচ্ছে।’
তিনি জানান, পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি, যাঁরা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত নন, তাঁদের মধ্যে হাড়ক্ষয় রোগে আক্রান্তের হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের মতো হতে পারে। যাঁরা স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ সেবন করছেন, তাঁরা চরম ঝুঁকিতে আছেন। এসব ওষুধ অনেক ক্ষেত্রে জীবন রক্ষা করলেও ভোক্তা ও বিক্রেতার ওপর সরকারের খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ না থাকায়, ব্যাপকভাবে এর অপব্যবহার হচ্ছে। যাঁরা বছরের পর বছর এসব ওষুধ সেবন করছেন, তাঁরা একসময় হাড়ক্ষয়ের রোগী হবেন।
ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে চাইলে সুস্থ জীবন ব্যবস্থাপনা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ। ছোটবেলা থেকেই সবার জন্য সুষম খাবার নিশ্চিত করতে হবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ গায়ে লাগাতে হবে, যাতে যথেষ্ট ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া যায়। এটা সম্ভব না হলে ভিটামিন ‘ডি’র ওষুধ নিতে হবে। খাদ্যে প্রয়োজনীয় আমিষ থাকতে হবে, সেটা উদ্ভিজ্জ বা প্রাণিজ যেটাই হোক। কেননা হাড়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আমিষ।