সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

হাড়ের ক্ষয়রোগে আক্রান্ত জরিপ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে
‘অস্টিও’ শব্দের অর্থ হাড় এবং ‘পরোসিস’ মানে হলো গর্ত। আর হাড় ক্রমেই ক্ষয় হওয়াকে চিকিৎসকের ভাষায় বলা হয় অস্টিওপরোসিস। বাংলাদেশে কত জন হাড়ক্ষয়জনিত রোগ অস্টিওপরোসিসে ভুগছে, এর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ১০ জনে একজন অস্টিওপরোসিসে আক্রান্ত।

আগামী বছর (২০২৬ সাল) এ সংখ্যা দাঁড়াবে এক কোটি ৬৭ লাখ ৭৬ হাজারে। ২০৩১ সালে হবে দুই কোটি সাত লাখ ১৪ হাজার। ২০৩৬ সালে গিয়ে দাঁড়াবে দুই কোটি ৫১ লাখ ৭৬ হাজার।প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আগামী দিনগুলোতে প্রবীণ জনসংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেতে যাচ্ছে। কিন্তু এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের তেমন কোনো প্রস্তুতি নেই।বেসরকারি পর্যায়ে কিছু উদ্যোগ থাকলেও এর পরিসর খুবই সীমিত।অস্টিওপরোসিস টাস্কফোর্সের উপদেষ্টা অধ্যাপক ফারুক পাঠান বলেন, ‘শরীরের কাঠামো হলো হাড় এবং এর বিন্যাস। একে ঘিরে আমাদের শরীর গঠিত হয়। জন্মের পর থেকে আমাদের হাড় গঠন শুরু হয়। ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত আমাদের বেশির ভাগ হাড় গঠিত হয়। ৪০ বছর বয়সের পর থেকে হাড় ক্ষয় হতে থাকে, ৫০ বছরের পর থেকে তা দ্রুত ক্ষয় হয়।’

তিনি বলেন, ‘নারীদের মেনোপজের (ঋতুস্রাব বা মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া) পর হাড় দ্রুত ক্ষয় হতে থাকে, ৬৫ বা ৭০ বছর বয়সের পর তা আরো দ্রুত ক্ষয় হতে থাকে। পুরুষদের তুলনায় নারীদের হাড়ক্ষয়ের প্রবণতা বেশি থাকে।’

হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় : বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, ‘বাংলাদেশে হাড়ক্ষয় রোগ পরিস্থিতি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বিএমইউ ও বারডেম যৌথভাবে ছোট আকারে গবেষণা করে। সেখানে দেখা গেছে, ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে এই রোগ বেশি পাওয়া যাচ্ছে।’

তিনি জানান, পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি, যাঁরা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত নন, তাঁদের মধ্যে হাড়ক্ষয় রোগে আক্রান্তের হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের মতো হতে পারে। যাঁরা স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ সেবন করছেন, তাঁরা চরম ঝুঁকিতে আছেন। এসব ওষুধ অনেক ক্ষেত্রে জীবন রক্ষা করলেও ভোক্তা ও বিক্রেতার ওপর সরকারের খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ না থাকায়, ব্যাপকভাবে এর অপব্যবহার হচ্ছে। যাঁরা বছরের পর বছর এসব ওষুধ সেবন করছেন, তাঁরা একসময় হাড়ক্ষয়ের রোগী হবেন।

ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে চাইলে সুস্থ জীবন ব্যবস্থাপনা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ। ছোটবেলা থেকেই সবার জন্য সুষম খাবার নিশ্চিত করতে হবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ গায়ে লাগাতে হবে, যাতে যথেষ্ট ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া যায়। এটা সম্ভব না হলে ভিটামিন ‘ডি’র ওষুধ নিতে হবে। খাদ্যে প্রয়োজনীয় আমিষ থাকতে হবে, সেটা উদ্ভিজ্জ বা প্রাণিজ যেটাই হোক। কেননা হাড়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আমিষ।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com