উপজেলার কুমিরা এলাকার পাহাড়ে ব্যাপক রূপবান শিম চাষ হয়েছে। এই চাষিদের একজন জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত বছরের মতো এবারও তিনি ২০০ শতক জমিতে রূপবান শিম চাষ করেছেন। এই জমি থেকে এরই মধ্যে তিনি আট লক্ষাধিক টাকার শিম বিক্রি করেছেন। এই কৃষক বলেন, ‘রূপবান শিম চাষে আমাদের লাভ অন্তত চার গুণ বেশি। শীতকালীন শিম এত বেশি দামে বিক্রি হয় না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাবিবুল্লা জানান, ২০১০ সালে সীতাকুণ্ডে পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র পাঁচ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন রূপবান শিম চাষ শুরু করেন। গত বছর থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হেক্টর এলাকায়। এসব জমি থেকে ১৭০ মেট্রিক টনের বেশি শিম চাষ হয়। সবচেয়ে বড় কথা, ভালো দাম পাওয়ায় সব কৃষকই লাভবান হয়ে খুশি। তাই ভবিষ্যতে এই শিমের চাষ আরো বেশি হবে বলে মনে করছেন তিনি।