সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

রূপবান শিমে চার গুণ লাভ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে
কয়েক বছর ধরে চাষ করছেন সীতাকুণ্ডের কৃষকরা
  • মৌসুমের শুরুতে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয়েছে পাইকারিতে ২৭০ টাকা, বর্তমানে ১৮০ টাকা কেজি
  • বৃষ্টিতে ফুল ঝরে না গেলে আরো বেশি লাভ হতো
  • সীতাকুণ্ডে রূপবান শিমের চাষ বেড়ে এক লাফে ৩০ হেক্টরে পৌঁছেছে
  • চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এবার গ্রীষ্মকালীন রূপবান শিম চাষে শীতকালীনের চেয়ে চার গুণ বেশি লাভবান হয়েছেন কৃষক। মৌসুমের শুরুতে এই শিম পাইকারিতে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ২৭০ টাকা পর্যন্ত। আর এখন প্রতি কেজি শিম পাইকারিতে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফিরেছে।টানা বৃষ্টিতে ফুল ঝরে না গেলে আরো বেশি লাভ হতো বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।উপজেলার শিম চাষ এলাকায় ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে রূপবান শিম চাষে ধারাবাহিক লাভের কারণে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে এই শিমের চাষ ছড়িয়ে পড়ছে।

    উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, দুই বছর আগেও এই উপজেলায় মাত্র সাত হেক্টর জমিতে রূপবান শিম চাষ হতো। কিন্তু ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে গত বছর রূপবান শিমের চাষ বেড়ে এক লাফে ৩০ হেক্টরে পৌঁছেছে।এ বছরও একই পরিমাণ জমিতে এই শিমের চাষ করে লাভবান হয়েছেন কৃষক।সীতাকুণ্ড পৌর সদরের চৌধুরীপাড়া, হাসান গোমস্তাসংলগ্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে এখানেও বেশ কিছু কৃষক রূপবান শিম চাষ করেছেন। এখানেই কথা হয় চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা কৃষক ইউসুফ নবীর সঙ্গে। তিনি রেললাইনের পাশে ৩০ শতক জমিতে রূপবান শিম চাষ করেছেন।

    একইভাবে ৪৪ শতক জমিতে রূপবান শিম চাষ করেছেন হাসান গোমস্তা এলাকার অন্য এক কৃষক শফিউল আলম। তিনি বলেন, ‘ইউসুফের মতো যাঁরা আগিলা (মৌসুমের প্রথমে) শিম চাষ করেছেন, তাঁরা কয়েক গুণ লাভবান হয়েছেন। কারণ তাঁরা বিক্রির সময় উচ্চমূল্য পেয়েছেন। আমার ক্ষেত থেকে পরে শিম তোলা শুরু হয়েছে। আমি এখন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।’ তবে লাভ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

    উপজেলার কুমিরা এলাকার পাহাড়ে ব্যাপক রূপবান শিম চাষ হয়েছে। এই চাষিদের একজন জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত বছরের মতো এবারও তিনি ২০০ শতক জমিতে রূপবান শিম চাষ করেছেন। এই জমি থেকে এরই মধ্যে তিনি আট লক্ষাধিক টাকার শিম বিক্রি করেছেন। এই কৃষক বলেন, ‘রূপবান শিম চাষে আমাদের লাভ অন্তত চার গুণ বেশি। শীতকালীন শিম এত বেশি দামে বিক্রি হয় না।’

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাবিবুল্লা জানান, ২০১০ সালে সীতাকুণ্ডে পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র পাঁচ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন রূপবান শিম চাষ শুরু করেন। গত বছর থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হেক্টর এলাকায়। এসব জমি থেকে ১৭০ মেট্রিক টনের বেশি শিম চাষ হয়। সবচেয়ে বড় কথা, ভালো দাম পাওয়ায় সব কৃষকই লাভবান হয়ে খুশি। তাই ভবিষ্যতে এই শিমের চাষ আরো বেশি হবে বলে মনে করছেন তিনি।

     

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com