ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছে তিনটি দৃঢ় মূর্তি। এক নারী, দুই পুরুষ। তিনজনই যেন এক অদম্য প্রতিজ্ঞায় বলছে, ‘আমরা হারিনি, হারবও না।’ এটাই ‘অপরাজেয় বাংলা’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতীকী
শিশুতোষ গল্পের জন্য পুরস্কার দেবে দ্য বুকার প্রাইজ ফাউন্ডেশন। পুরস্কারটির নাম হবে দ্য চিলড্রেনস বুকার প্রাইজ। গতকাল শুক্রবার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নতুন এই পুরস্কার চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বুকার প্রাইজ
‘চন্দন’-যে নাম শুনলেই মনে পড়ে শীতলতা, সুবাস আর রূপচর্চার প্রাচীন এক উপাদান। ঘরোয়া ফেসিয়ালের সঙ্গে অনেকের প্রথম পরিচয়ই হয় এই চন্দনের মাধ্যমে। এর হিলিং ও কুলিং প্রপার্টিজ ত্বকের নানা সমস্যায়
এই সময় পড়াশোনার চাপ, দ্রুত বেড়ে ওঠার অস্থিরতা ও অল্প বয়সের কারণে অনেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় খুব একটা মনোযোগী হতে পারেন না। ফলে দেখা দিতে পারে নানান বিপত্তি। কিশোরীকাল (বয়ঃসন্ধি) প্রতিটি মেয়ের
বাঘের বাড়ি সুন্দরবন। আমরা বসে আছি বেতমোর গাঙের হোমরা খালের মুখে। এই খালেই একবার আমাদের কয়েকজন বন্ধু বাঘ মামার দেখা পেয়েছিল। তখন বিকেল। বাঘ মামা একটা গাছের ডালে আরাম করছিল—তোমরা
জাহাঙ্গীর আলম জাহান সিরাপ বড়ই তেতো, যায় না গেলা বড়ি দুষ্টু ছেলে নিয়ে আমি কী যে এখন করি! গায়ে যখন জ্বরটা ওঠে প্রবল চিকিৎসকে বড়ি লেখে ডবল। কিন্তু বড়ি ধরি-মরি
ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় প্রকৃতি, যার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকে। গরমের তৈলাক্ত ভাব কমতে না কমতেই হাজির শুষ্কতা। ফলে কারো ত্বক খসখসে, তো কারো নিস্তেজ। এখনই দরকার স্কিন
ছোট্ট দেহের প্রায় সব হাড় দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে কঙ্কালের ওপর শুধু চামড়াটাই রয়ে গেছে। গাজায় খাদ্যাভাব কতটা তীব্র পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার জ্বলন্ত প্রমাণ এই শিশুরা। ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার
সুবর্ণা দাশ মুনমুন গা ছমছম ভূতের বাড়ি শুনতে কথা পাতল আড়ি। কথায় কথায় বিকেল যায় সন্ধ্যা নামে দূরের গাঁয়। গাঁয়ের নামটি ভূতুমপুর ভূতের বিয়ে ভরদুপুর। সকাল সকাল
শেখ সালাহ্উদ্দীন সামনে দেখে ভরা পুকুর খুকুমণির ছোট্ট কুকুর বের করে জিভ লাফাচ্ছিল তিড়িংবিড়িং চার পায়ে মনে মনে ইচ্ছেটা তার এই পুকুরে কাটবে সাঁতার পদ্মফুলের রেণু এনে মাখবে মুখে আর