গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে নজরুলের পত্রযোগ ছিল নিয়মিত। গুরুপ্রতিম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সহোদরপ্রতিম জসীমউদ্দীনকে লেখা নির্বাচিত দুটি চিঠি পত্রস্থ হলো… রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে [১৮৬১–১৯৪১] গুরুদেব! বহুদিন শ্রীচরণ দর্শন করিনি।
পতঙ্গ যেমন গনগনে আলোর মায়ায় ছুটে গিয়ে প্রতারিত হয়, তেমনি নর আর নারীতে বিভক্ত মানুষের মনও হয়তো কখনও অলীক প্রেমের পেছনে ছুটে জীবনকে নিঃশেষ অথবা জটিল করে তোলে। ধূমকেতুর কবি
বাংলা কবিতা ও কাব্যগীতির অঙ্গনে সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভার নাম কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬)। নবজাগ্রত বাঙালি মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণির চৈতন্যের সাগরমন্থন শেষে বাংলা সাহিত্যে তাঁর উজ্জ্বল আবির্ভাব। উপনিবেশ-শৃঙ্খলিত অন্তর্দ্বন্দ্বময় সমাজপ্রবাহে
২০১১ সালের মার্চ মাসে আমি যখন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম গেলাম আমার এক বন্ধুর সঙ্গে, তখনও সেখানে শিউলিমালা নামের ছাত্রী হলটি ছিল না; মেয়েদের জন্য ছিল দোলনচাঁপা
পীড়নপিষ্ট, লাঞ্ছিত-বঞ্চিত অবমানিত বিহ্বল বিপন্ন মানবগোত্রের সম্মিলিত শিল্পসম্মত মানবিক ইশতেহার বিদ্রোহী কবিতা। জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই একটি কবিতা পাঠের ও শ্রবণের সুবাদে কবিকথিত স্বপ্নমথিত ‘বাংলাদেশ’
সময়ের প্রবহমানতায় আমরা প্রতিবার নতুন জনমকে উপলব্ধি করি, যখন সেই ধেয়ে চলা সময়ে কোনো কবি, দার্শনিক আমাদের কানে ধ্বনি তোলে মুক্তির, স্বাধীনতার। নির্ভীকচিত্তে সে যখন আমাদের এক মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত করে
ছিলেন চিত্রকর। তাঁর পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান। তবে এস.এম সুলতান নামেই তিনি অধিক পরিচিত। ১৯২৩ সালের ১০ই আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ার এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে বাংলার এই কৃতি সন্তানের জন্ম।
আজ ১০ আগস্ট, বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ১০৩তম জন্মদিন। ১৯২৩ সালের এই দিনে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্ম নেন শেখ মোহাম্মদ সুলতান। শৈশবে পরিবারের মানুষ তাকে ‘লাল মিয়া’ নামে ডাকতেন।
বাংলা নাটকের ইতিহাসে কিছু নাম কেবল নাম হয়ে থাকে না; তারা হয়ে ওঠেন একটি সময়ের প্রতীক, একটি শিল্পবোধের নির্মাতা, একটি জাতির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের ভাষ্যকার। নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন তেমনই এক