প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর অন্তর্বর্তী সরকারকে পূর্ণ সমর্থন জানাতে গত শুক্রবার নিউইয়র্কে তাঁর হোটেল স্যুইটে একত্র হন বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী নেতা। তাঁরা বাংলাদেশকে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সহযোগিতা
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা এবং প্রশাসনের প্রতি নিরাপত্তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে শারদীয় ধর্মীয় উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার
দলীয় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও কঠোর হচ্ছে বিএনপি। দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এমন অভিযোগ যে পর্যায়ের নেতার বিরুদ্ধেই উঠুক না কেন কোনো ছাড় নয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর
বিহার নির্বাচন ঘিরে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এখন বেশ উত্তপ্ত। ভারতের নির্বাচন মানেই এখন ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ইস্যুর ধুয়া তুলে ক্ষমতাসীন বিজেপির ভোট বাগানোর চেষ্টা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমন কৌশলের মোক্ষম জবাব
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঞ্চে উঠতেই একে একে খালি হয়ে গেছে অধিবেশনকক্ষ। তিনি গতকাল ভাষণ দিতে মঞ্চে ওঠেন। সূত্র : আলজাজিরা, আনাদোলু, রয়টার্স।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে স্বৈরাচারকে বিদায় করে বাংলাদেশ আবারও ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ৯টার দিকে জাতিসংঘের ৮০তম অধিবেশনে দেয়া
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সময় বুধবার (২৪
সমাজকল্যাণ ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেছেন, ‘নতুন করে ভালোবাসা, নতুন করে সবাইকে নিয়ে চলা, নতুন করে প্রতিজ্ঞা করা এবং নতুন করে ভাবার সময় এসেছে আমাদের।’ বুধবার (১৬
বিশ্ব জন্মনিরোধ দিবস আজ ২৬ সেপ্টেম্বর। পরিকল্পিত পরিবার গঠন ও জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০০৭ সাল থেকে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। আমাদের দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের হার এখনো আশাব্যঞ্জক