যুগে যুগে নবী-রাসুলদের বৈধভাবে উপার্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসুলরা! তোমরা পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করো এবং নেক কাজ করো।’(সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৫১)
যুগে যুগে নবী-রাসুলদের বৈধভাবে উপার্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসুলরা! তোমরা পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করো এবং নেক কাজ করো।’(সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৫১)
কিন্তু যদি স্ত্রীর বৈধ জীবিকার ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে স্বামীর সম্পদ থেকে খাওয়া তাঁর জন্য জায়েজ হবে। তবে হারাম সম্পদ খাওয়ার গুনাহ স্বামীর ওপর বর্তাবে।
আর অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুসন্তানদের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য। তবে প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরা নিজে উপার্জন করে খাবারদাবারের ব্যবস্থা করবে। পিতার সম্পদ থেকে খাওয়াদাওয়া করবে না। এ বিষয়ে আল্লামা ইবনে আবেদিন (রহ.) লেখেন : ‘যদি স্বামী খাবারদাবার, পোশাক-পরিচ্ছদ হারাম সম্পদের দ্বারা কিনে নিয়ে আসে, তাহলে স্ত্রীর জন্য তা খাওয়া এবং পরিধান করা জায়েজ হবে। তবে এই কাজের গুনাহ স্বামীর ওপর বর্তাবে।’ (ফাতাওয়া শামী : খণ্ড-৬, পৃষ্ঠা-১৯১)