সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক শায়খ আব্দুর রহীমের জীবনকথা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে
শায়খ আবদুর রহীম ছিলেন লেখক, গবেষক, শিক্ষক ও সংস্কারক। তিনি ১৯০৪ সালের ১ মে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত জঙ্গিপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মুহাম্মাদ ইয়াকুব মোল্লা। শায়খ আবদুর রহীম প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা নিজ পরিবারে অর্জন করেন।অতঃপর শামসুল উলামা আবূ নসর ওহীদের উদ্ভাবিত ‘নিউ স্কিম’ পদ্ধতিতে পরিচালিত জঙ্গিপুর হাই মাদরাসায় ভর্তি হন। এই মাদরাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে হুগলি চলে যান। সেখানের নিউ স্কিম মাদরাসায় (বর্তমান নাম হাজী মুহসীন কলেজ) মাধ্যমিক শিক্ষালাভের উদ্দেশ্যে ভর্তি হন। এ মাদরাসায় থাকা অবস্থায় তিনি মাতৃভাষার পাশাপাশি আরবি, উর্দু, ফারসি ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।

তিনি মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে জেনারেল বিষয়গুলোর মধ্যে গণিত, দর্শন ও ইতিহাসেও দক্ষতা অর্জন করেন। তিনি ১৯১৯ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯২৪ সালে ঢাকার ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। এ বিভাগ থেকে ১৯২৮ সালে বিএ অনার্স এবং ১৯২৯ সালে ডিগ্রি অর্জন করেন।
দেওবন্দ থেকে ফিরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপদে আবার শিক্ষকতার জীবন শুরু করেন। অতঃপর ১৯৪৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পদোন্নতি পেয়ে ‘মাওলানা’ পদে উন্নীত হন। ১৯৬৯ সালের ১ জুন সিনিয়র প্রভাষক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৭০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৭০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর শায়খ আব্দুর রহীম চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

শায়খ আবদুর রহীম ১৯৫১ সালে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে পাকিস্তানের সেক্রেটারি জেনারেল নিযুক্ত হন। সে সময় উক্ত সংগঠনের সভাপতি ছিলেন মাওলানা আতহার আলী (রহ.)।

শায়খ আব্দুর রহীম একজন খ্যাতিমান লেখক ছিলেন। তিনি ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

১. ‘তাজরীদুল বুখারি’-এর প্রথম খণ্ডের অংশবিশেষ অনুবাদ করেন।

২. ইমাম তিরমিযীর শামায়েল-ই-তিরমিজির প্রথমার্ধের বাংলা অনুবাদ করেন এবং এর টীকায় সংশ্লিষ্ট হাদিসগুলোর বরাত, রাবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও কঠিন শব্দগুলোর বিশ্লেষণ করেন।

৩. আরবি ব্যাকরণ ও আরবি সাহিত্য (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড)

৪. ‘বুলুগুল মারাম’ হাদিসগ্রন্থের বঙ্গানুবাদ ও ব্যাখ্যা

৫. রমজান ও তাসাউফ

৬. মসজিদের ইমামের শিক্ষার মান, তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

তিনি ১৯৭৩ সালের ২৯ এপ্রিল রবিবার ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com