কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পাট চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। সোনালি আঁশ পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সুফল পেতে শুরু করেছেন পাটচাষিরা। গত বছর পাট চাষ করে লাভের মুখ দেখায় এবারও পাটের ব্যাপক চাষ হয়েছে। এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পাটের আঁশ ছাড়াতে এবং শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজারহাটের কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সাধারণত এই এলাকায় জেআরও ৫২৪, দেশীয় তোসা-৮, রবি-১ জাতের পাট ছাড়াও স্থানীয় জাতের পাটও চাষ করা হয়। উপজেলার বোতলার পাড় গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান, কানুরাম গ্রামের মকুল হোসেন ও চাকির পশার তালুক গ্রামের আমিনুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এবারে ফলন ভালো হয়েছে, মৌসুমের শুরুতে দাম ও ভালো। প্রতি মণ পাট ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত স্থানীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাটখড়ি (সিন্ডা) প্রতি মণ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা হিসেবে বিক্রি হয়। উপজেলার সদাগড় ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার জানান, পাটের রোগ বালাই সাধারণত কম থাকায় উৎপাদন খরচ কম হয়। পাট চাষে কৃষকের আরো আগ্রহী করে তুলতে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সম্পা আকতার জানান, এবারে উপজেলায় ৪২০ হেক্টর জমিতে নানান জাতের পাট চাষ হয়েছে। আগামীতে পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তোলার ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের পরামর্শ অব্যাহত থাকায় সুফল পেতে শুরু করেছেন চাষিরা।