সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মুসহাফ দেখে মুসলিম মনীষীদের কোরআন পাঠ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
কোরআন আল্লাহর কালাম, যা বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশা হিসেবে নাজিল হয়েছে। মুমিনের পুরো জীবন কোরআনময়। তাই প্রতিদিন সালাতে ও সালাতের বাইরে কোরআন পাঠ করতে হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, নামাজ কায়েম করে এবং আমি তাদের যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে (সৎ কাজে) ব্যয় করে গোপনে ও প্রকাশ্যে, তারা এমন ব্যবসার আশাবাদী, যা কখনো লোকসান হয় না, যাতে আল্লাহ তাদের পূর্ণ প্রতিফল দেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরো বেশি দান করেন।

(সুরা : ফাতির, আয়াত : ২৯-৩০)

মুমিন হিসেবে সবার কর্তব্য হলো বিশুদ্ধভাবে উত্তমরূপে কোরআন তিলাওয়াত করা। আর এর আছে বহু উপকারিতা। আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—‘যারা উত্তমরূপে কোরআন পড়বে, তারা থাকবে অনুগত সম্মানিত ফেরেশতাদের সঙ্গে।

(মুসলিম, হাদিস : ৭৯৮)

পৃথিবীর বুকে কোরআন একমাত্র কিতাব, যার তিলাওয়াতে আছে হরফে হরফে নেকি। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পড়ল তার জন্য রয়েছে একটি নেকি। আর একটি নেকি ১০ নেকি সমতুল্য।

(জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৯১০)

মুসহাফ বা কোরআনের টেক্সট বুক দেখে নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ছিল আগের মুসলিম মনীষীদের চিরায়ত অভ্যাস। কারণ মুখস্থ তিলাওয়াতের মাধ্যমে কোরআন যতটা অনুধাবন করা যায়, মুসহাফ দেখে তিলাওয়াত করলে তার চেয়ে বেশি হৃদয়ঙ্গম করা যায়। মুসহাফ দেখে কোরআন তিলাওয়াত করার মাধ্যমে চার রকমের উপকার হাসিল হয় : (১) চোখের মাধ্যমে দেখার সওয়াব, (২) কানের মাধ্যমে শোনার সওয়াব, (৩) জিহ্বার মাধ্যমে উচ্চারণের সওয়াব এবং (৪) অন্তরের মাধ্যমে তাদাববুরের সওয়াব।

জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবি ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রা.) বলেন, ‘আমাদের হৃদয় যদি পাপাচার থেকে পবিত্র থাকত, তবে আমাদের রবের কালামে এরা কখনো পরিতৃপ্ত হতো না।

(বায়হাকি, আল-আসমাউ ওয়াছ সিফাত : ১/৫৯৩)

আবু মুসা আশআরি (রা.) বলেন, ‘প্রতিদিন একবার হলেও আমার রবের প্রতিশ্রুতি (কোরআনের) দিকে একবার নজর না বুলানোকে আমি খুই লজ্জাবোধ করি।’ (তাফসিরে কুরতুবি : ১/২৮)

উরওয়া ইবনে জুবায়ের (রহ.) প্রতিদিন মুসহাফ দেখে দেখে কোরআনের এক-চতুর্থাংশ তিলাওয়াত করতেন। অতঃপর রাতের সালাতেও তিলাওয়াত করতেন। তবে যে রাতে তাঁর পা কাটা হয়েছিল সে রাতে এ আমলটা করতে পারেননি। তাই পরের রাতে ছুটে যাওয়া অংশ তিলাওয়াত করে নেন।

উল্লেখ্য যে পায়ে ক্যান্সার হয়েছিল বিধায় তাঁর পা কেটে ফেলা হয়েছিল। (বায়হাকি, শুআবুল ঈমান : ৩/৫৩১)

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com