বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অনুসন্ধানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান (ম খা) আলমগীরের নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে খোলা ৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩৯৮ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। এ অর্থের একটি অংশ পাচারেরও প্রমাণ পাওয়ার কথাও জানিয়েছে বিএফআইইউ। আদালতের নির্দেশে ওই সব অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে।
বিএফআইইউর রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধু নিজের নামে নয়, স্ত্রী সিতারা আলমগীরসহ পারিবারিক সদস্যদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে কোটি কোটি টাকা স্থানান্তর ও গোপন করেছেন আলমগীর।তিনি পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক), আইএফআইসি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক এবং যমুনা ব্যাংককে অবৈধ কার্যক্রমের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ৩৩টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩৯৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে জমা হয়েছে ২০০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ১৯৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বর্তমানে অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা আছে দুই কোটি ৮২ লাখ টাকা।








