১. পৃথিবীতে আগমন : মহানবী (সা.) হস্তী বাহিনীর ঘটনার বছর রবিউল আউয়াল মাসে মহানবী (সা.) কোনো এক সোমবার পৃথিবীতে আগমন করেন। প্রসিদ্ধ মতানুসারে সেদিন ছিল ১২ রবিউল আউয়াল।
১. পৃথিবীতে আগমন : মহানবী (সা.) হস্তী বাহিনীর ঘটনার বছর রবিউল আউয়াল মাসে মহানবী (সা.) কোনো এক সোমবার পৃথিবীতে আগমন করেন। প্রসিদ্ধ মতানুসারে সেদিন ছিল ১২ রবিউল আউয়াল।
৩. ইন্তেকাল : ১১ হিজরি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেন।
৫. জি-আমর অভিযান : উহুদ যুদ্ধের আগে তৃতীয় হিজরি রবিউল আউয়াল মাসে নবী করিম (সা.)-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। তিনি যখন সংবাদ পান বনু সালাবা ও বনু মুহারিবের লোকেরা মদিনায় আক্রমণ করতে সমবেত হচ্ছে, তখন তিনি চার ৪৫০ জন সাহাবিকে নিয়ে অভিযানে বের হন এবং উসমান (রা.)-কে মদিনায় নিজের প্রতিনিধি হিসেবে রেখে যান। মুসলিম বাহিনীর আগমনের সংবাদ শুনে শত্রুপক্ষ পালিয়ে যায়। (আল হাবিউল কাবির : ১৪/৬২)
৬. বনু নাজির অভিযান : চতুর্থ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে বনু নাজির অভিযান পরিচালিত হয়। উহুদ যুদ্ধের পর নবীজি (সা.) এক ব্যক্তির রক্তপণ আদায়ের জন্য বনু নাজির গোত্রে উপস্থিত হলে তারা ছাদের ওপর থেকে পাথর ফেলে নবীজি (সা.)-কে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। আল্লাহ ওহির মাধ্যমে তাদের এই ষড়যন্ত্র প্রকাশ করে দেন। তখন নবীজি (সা.) তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন।
(সিরাতে ইবনে হিশাম : ১/২৮৪)
৮. বনু লাহয়ান অভিযান : ষষ্ঠ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মহানবী (সা.)-এর নেতৃত্বে বনু লাহয়ানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়। কেননা তারা কুরাইশের ইন্ধনে ইসলাম শেখার কথা বলে ১০ জন সাহাবিকে ডেকে নেন এবং তাদের নির্মমভাবে শহীদ করেন। নবীজি (সা.) তাদের এই ধৃষ্টতার শাস্তি দিতে ২০০ সাহাবিকে নিয়ে অভিযানে বের হন। কিন্তু মুসলিম বাহিনীর আগমনের খবর শুনে তারা পালিয়ে যায়।
(আর রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ২৮৫)
এ ছাড়া রবিউল আউয়াল মাসে মসজিদে কুবা ও মসজিদে নববী নির্মাণ করা হয়, সারিয়ায়ে মুহাম্মদ বিন মাসলামা (রা.), গাজওয়ায়ে সাফওয়ান, সারিয়ায়ে হামজা (রা.) ও সারিয়ায়ে জায়িদ বিন হারিসা (রা.) সংঘটিত হয়।
আল্লাহ মুহাম্মদ (সা.), তাঁর পরিবার ও অনুসারীদের ওপর শান্তি বর্ষণ করুন। আমিন।