রাহুলের অভিযোগকে সমর্থন দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকে, আরজেডি ও সমাজবাদী পার্টির মতো বড় বিরোধী দলগুলো। তৃণমূলের অভিষেক ব্যানার্জি স্পষ্ট বলেছেন, যদি ভোটার তালিকায় অসংগতি থাকে তবে শুধু বিহার বা পশ্চিমবঙ্গে নয়, গোটা দেশেই বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (এসআইআর) করতে হবে। আর এই প্রক্রিয়ার সূচনা হওয়া উচিত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের মাধ্যমে।জাতীয় নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে স্বীকার করেছে, কিছু রাজ্যে ভোটার তালিকায় অসংগতি রয়েছে।বিহারে এসআইআর চালিয়ে প্রাথমিকভাবে ৬৫ লাখেরও বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের প্রশ্ন, যদি বিহার বা পশ্চিমবঙ্গে এত অসংগতি পাওয়া যায়, তবে মহারাষ্ট্র বা গুজরাটের তালিকা কিভাবে নিখুঁত হয়?অন্যদিকে বিজেপি বলছে, রাহুল গান্ধীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাদের দাবি, কংগ্রেস আমলেই নির্বাচন কমিশনাররা নিয়োগ পেয়েছিলেন, তাই ভোট চুরির অভিযোগ আসলে নিজের দলের ওপরই চাপানো হচ্ছে।নির্বাচন কমিশন রাহুল গান্ধীকে অভিযোগের পক্ষে হলফনামা জমা দিতে বলেছিল। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি কোনো প্রমাণ পেশ করেননি।ফলে কমিশন জানিয়েছে, এ নিয়ে আর তদন্ত হবে না।তবু রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের একযোগে তোলা অভিযোগ ও পদত্যাগ দাবি মোদি সরকারকে দৃশ্যত অস্বস্তিতে ফেলেছে। একটানা ১১ বছর ক্ষমতায় থাকা মোদির জন্য এটি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হয়ে উঠছে।
সূত্র : বিবিসি