দিল্লী ও কোলকাতায় বাংলাদেশে নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগকে কার্যালয় খোলার সুযোগ দিয়ে ভারত কার্যত ফ্যাসিস্ট হাসিনার ঘটানো ইতিহাসের বর্বরোচিত জুলাই গণহত্যার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে। ভারতের এই নিন্দনীয় ভূমিকা একদিকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি করছে, অপর দিকে ১৯৭১সনের মুক্তিযুদ্ধে তাদের সমর্থনের আড়ালে থাকা স্বার্থসিদ্ধির কুৎসিত রূপ উন্মোচিত করে দিয়েছে। ভারত আবারও প্রমাণ করল তারা কোনদিনই বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করেনি, তারা বরাবরই তাদের এদেশীয় এজেন্ট আওয়ামী লীগের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। ভারতই এদেশে মুসলিম জাতীয়তাবোধ ও ইসলামী চেতনা নিশ্চিহ্ন করার দায়িত্ব গ্রহণের বিনিময়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য সমর্থন দিয়ে আজ এক রক্তখেকো দানবে পরিণত করেছে। অবিলম্বে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভারতে খোলা সকল অফিস বন্ধ এবং শেখ হাসিনাসহ তার পলাতক সহযোগীদের গ্রেফতার করে বাংলাদেশে হস্তান্তর করতে হবে।
গতকাল পল্টনস্থ ফেনী সমিতি মিলনায়তনে দলীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সভায় দলীয় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন দলীয় মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, স্থায়ী কমিটির সদস্য আকবর হোসেন পাঠান, সৈয়দ আব্দুল হান্নান নূর, ওয়াজির আলী মোড়ল, মাওলানা জহিরুল আনোয়ার, ইঞ্জিনিয়ার গিয়াসউদ্দিন, শেখ এ সবুর, এম এ মতিন, মাওলানা আবু জাফর, শেখ এ সবুর। দলের ওয়ার্র্কিং কমিটির পূর্ণ কোরামে বলা হয়, মুসলিম লীগ নির্বাচনমুখী গণতান্ত্রিক দল। দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার আগাম প্রস্তুতি হিসাবে সারাদেশে মুসলিম জাতিসত্তার পুনর্জাগরণের জন্য কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌত্ব হুমকির সম্মুখীন হবে। কথিত পি আর পদ্ধতির সবচেয়ে বিপদজনক দিক নিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ফ্যাসিবাদী ও ভারতীয় তাবেদারদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পদ্ধতি নিশ্চিত না হলে ভারতীয় এজেন্টদের পুনর্বাসনের দ্বার উন্মুক্ত করা হবে। সভায় কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।