বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের রাজনৈতিক দল ও নেতাদের উদ্দেশ করে বলেছেন, যদি গণতন্ত্র উত্তরণের পথ সংকটে পড়ে, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে জনগণ অধিকার প্রয়োগ না করতে পারে, তাহলে সামগ্রিকভাবে সবাইকে এবং পুরো রাষ্ট্রকে সমস্যায় পড়তে হবে।গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর নির্ভয়ে নিজেদের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে, নিজেদের মেনিফেস্টোকে বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবে। তবে আমাদের সহকর্মী ও কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের তাদের সদস্যদের বক্তব্যে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন নিয়ে জনগণের মনে নানা জিজ্ঞাসা জন্ম দিয়েছে।গণতন্ত্রকামী সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলে, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে পতিত পরাজিত পলাতক ফ্যাসিস্ট চক্রের পুনর্বাসনের পথ সহজ হয়ে উঠবে।’তিনি বলেন, সংবিধান বা লিখিত বিধি-বিধান দিয়ে কখনোই ফ্যাসিবাদ ঠেকানো যায় না। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে যদি ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে হয়, তাহলে জনগণকে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই। সরাসরি ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের যে অধিকার, যে চর্চা, তার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণ শক্তিশালী হয়ে ওঠে।








