সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

হরিরামপুরে রাস্তার সংস্কারের প্রয়োজন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বলড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার ইট সোলিং রাস্তা সংস্কার না করায় চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এতে করে কোনো প্রকার যানবাহন তো দুরের কথা একটু বৃষ্টি হলেই পায়ে হেঁটে চলাচল করাই কষ্টকর। এমন অভিযোগ করেন একাধিক এলাকাবাসী।সরেজমিনে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে উপজেলার বলড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকার চাতকের মোড় পাকা রাস্তা থেকে খাবাসপুর হাইস্কুল পর্যন্ত প্রায় দু’কিলোমিটার রাস্তার কিছু অংশ পিচ ঢালাই ও অধিকাংশই সোলিং করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এই রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় পিচের ইট গুঁড়ো হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। অনেক জায়গায় রাস্তার অর্ধেকাংশ ভেঙে ধসে গেছে এবং ইট সোলিং এর অংশে ইট ভেঙে গর্ত হয়ে গেছে। প্রায় পুরো রাস্তা জুড়েই রয়েছে ছোট-বড় খানাখন্দ। এতে একটুখানি বৃষ্টি হলেই যানবাহন তো দুরের কথা পায়ে চলাচল দুঃসাধ্য হয়ে পরে। এই রাস্তাটি সুলতানপুর, করিমকান্দি বহলাতলী, আদাশুরি, বালিরটেক, খাবাসপুরের একাংশ এলাকার প্রায় ৭টি গ্রামের শতশত মানুষ চলাফেরা করে। রাস্তা ভাঙাচোরা হওয়ায় এই এলাকার কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে পারেন না কৃষকেরা। রাস্তাটির অনেক জায়গায় অর্ধেক রাস্তা পর্যন্ত ধসে সরু হয়ে গেছে। কোনো কোনো জায়গায় রাস্তার মাটিও বের হয়ে গেছে। ফলে রিক্সা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে চলাফেরা ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।স্থানীয় সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা তানভীর আহমেদ জানান, প্রায় ২০ বছর আগে এ রাস্তা ইট সোলিং করা হয়। এর মধ্যে আর কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। পাকা রাস্তা থেকে এই রাস্তাটি একটু ভিতরে হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনসহ কোনো জনপ্রতিনিধির নজরে পড়ে নাই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনগণ চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে। প্রায় সাতটি গ্রামের শত শত মানুষসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষজনও এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। একটু বৃষ্টি নামলেই স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ এলাকার জনগণের বেশ ভোগান্তি হতে হয়। এই রাস্তা কৃষকেরা কৃষিপণ্য নিয়ে হাটবাজারে যেতে পারে না। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি করছি, যেন অতি দ্রুত এ রাস্তাটির সংস্কার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।স্থানীয় বাসিন্দা বালিরটেক বাজারের ব্যবসায়ী শাজাহান দেওয়ান জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এ রাস্তাটির জন্য অনেক ভোগান্তিতে আছি। অনেকবার এ রাস্তাটির সংস্কার করার জন্য বলা হলেও কেউ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। কিন্তু রাস্তাটি অতি জনগুরুত্বপূর্ণ। এখানে স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। কৃষকেরা তাদের কৃষিপণ্য এই রাস্তা দিয়ে হাটবাজারে নিতে পারে না। কোনো যানবাহনই এ রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারে না। একটু বৃষ্টি নামলে খালি পায়ে হেটে যাওয়াই কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের জন্য আমরা অনুরোধ করছি।

ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হোসনে আরা জানান, আমি তো ডিসেম্বর থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে আছি। রাস্তাটার অবস্থা খুব খারাপ। এর আগের চেয়ারম্যান যিনি ছিলেন তিনি বলেছিলেন যে এটা এমপি কোটায় প্রকল্প দেওয়া আছে। তারপর এটার কোনো কিছু হয়নি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com