সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া পাথরের মধ্যে এক লাখ ঘনফুটের বেশি পরিমাণ পাথর জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এর মধ্যে ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর সাদাপাথর এলাকায় নিয়ে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে এসব তথ্য কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মো. মাসুদ রানা।
নারায়ণগঞ্জ জেলার কাঁচপুর থেকেও বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার ঘনফুট আস্ত ও ক্রাশড পাথর জব্দ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)।বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।বেপরোয়া লুটপাটে সিলেটের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র পাথরশূন্য হয়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের টনক নড়ে। বুধবার রাতে সিলেটের জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সমন্বয় সভায় লুট হওয়া পাথর ফেরানোসহ পাঁচ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই রাতেই সেনাবাহিনীসহ যৌথ বাহিনী অভিযানে নামে।রাতের মধ্যেই ১২ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করে। এর পর থেকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এদিকে অভিযানের ভয়ে বিভিন্ন ক্রাশার মিলের মালিকরা লুট করা পাথরের ওপর বালু ও মাটি ফেলে তা আড়াল করার চেষ্টা করছেন। গতকাল সকালে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ঘাট থেকে সিলেট সদর উপজেলার ধোপাগুল পর্যন্ত ক্রাশার মিল ও মজুদ এলাকায় এমন দৃশ্য দেখা যায়।বুধবার রাতে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বেশির ভাগ ক্রাশার মিল বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রাশার মিলের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। অনেক মিল মালিক ও বালু-পাথর ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।








