মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

জুলাই সনদ চূড়ান্ত ঘোষণা আসছে -আলী রীয়াজ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে কমিশন আশাবাদী। এ আশাবাদ নিয়ে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে—যে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ গণতন্ত্রের পথে আরো এগিয়ে যাবে।গতকাল শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অধ্যাপক রীয়াজ।সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফররাজ হোসেন ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।

আলী রীয়াজ জানান, রাজনৈতিক দল ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই ‘জুলাই সনদ’-এর চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। কয়েক দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সনদের পূর্ণাঙ্গ খসড়া পাঠানো হবে এবং তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী সপ্তাহে আরো একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, ‘গত ১৫ বছরে দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।এ বিষয়ে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে, যা সরকারের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। কিছু সুপারিশ বাস্তবায়নও হচ্ছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন নিজেও কিছু ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিত প্রয়াসে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।’আগামী জাতীয় নির্বাচন সনদের ভিত্তিতে হবে কি না জানতে চাইলে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, ‘নির্বাচন কিভাবে হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় রকমের পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের কয়েকটি প্রস্তাবে এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। যেমন—প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছরে সীমিত করা এবং প্রধানমন্ত্রীর পদে থেকে দলীয় প্রধান হওয়া বন্ধ করার বিষয়ে অধিকাংশ দল একমত। জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমিটিতে বিরোধী দলের সভাপতিত্ব থাকলে এক ধরনের চেক অ্যান্ড ব্যালান্স প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।’

প্রসঙ্গত, সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ গঠিত হয়। কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। এরই  মধ্যে ৩০ জুলাই প্রথম দফায় ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে ৬২টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। দ্বিতীয় দফার খসড়া ২৮ জুলাই পাঠানো হয় এবং ৩১ জুলাই সেই দফার আলোচনা শেষ হয়।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com