সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

খুলনায় নৌকার হাট

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

সপ্তাহে শুক্র ও সোমবার বসে শেখপুরা হাট। মাছ ধরার জাল, চাঁইসহ স্থানীয় প্রয়োজনীয় অনেক জিনিসই পাওয়া যায় এ হাটে। তবে হাটের বিশেষত্ব হচ্ছে নৌকার কেনাবেচা। খুলনার তেরখাদা উপজেলার শেখপুরা বাজার নামের এই হাটটি চার জেলার মানুষের চাহিদা পূরণ করে।বেশির ভাগ নৌকা তৈরি হয় বাগেরহাটের চিতলমারীতে। সেখানকার ব্যাপারীরা প্রতি হাটে নৌকাগুলো সড়কপথে নিয়ে আসেন বাজারে। তেরখাদা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ছাড়াও খুলনা, নড়াইল ও গোপালগঞ্জ জেলার অনেক ক্রেতার আগমন ঘটে শেখপুরা বাজারে। নৌকা কিনে নিয়ে যান ভ্যান, নছিমন বা টমটমযোগে।এভাবেই যুগের পর যুগ এই হাটে কেনাবেচা হয় নৌকা।ক্রেতা-বিক্রেতা সূত্রে জানা যায়, একসময় চিতলমারী থেকে পানিপথেই আনা হতো নৌকাগুলো। কিন্তু কালের বিবর্তনে বিল-খাল-নদী অনেকটা হারিয়ে গেছে। এ জন্য এখন টমটম-নছিমনে (স্থানীয়ভাবে তৈরি করা যন্ত্রচালিত বাহন) করে নৌকাগুলো আনা হয় বাজারে।সকালে একেকটি নছিমনে অন্তত ১০-১২টি নৌকা আনা হয় চিতলমারী থেকে শেখপুরা। যেগুলো অবিক্রীত থাকে সেগুলো আবার নছিমন বা টমটমে করেই নিয়ে যান ব্যাপারীরা। অনেক সময় পরের হাটের জন্য রেখে দেওয়া হয় কারো জিম্মায়। জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে চলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলে নৌকার এই হাট। ব্যবসায়ীরা জানান, এক মৌসুমে প্রায় ৪০ কোটি টাকার নৌকা বিক্রি হয় শেখপুরা হাটে।নৌকার সাইজ ও ডিজাইনগুলো প্রায় একই ধরনের। তেরখাদা, নেবুদিয়া, শিয়ালী, চরকুলিয়া, কালিয়া, নড়াগাতি, গোপালগঞ্জ, দিঘলিয়াসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের  বেশির ভাগ কাজই করতে হয় নৌকাযোগে। বিশেষ করে মাছ ধরা, ফসল উত্তোলন করা, মানুষ পারাপারসহ নানা কাজে নৌকা ব্যবহৃত হয়। এ জন্য নৌকার কদর বেশি ওই এলাকায়।মো. অলিয়ার শেখ নামের এক ব্যাপারী জানান, নৌকাগুলোর সাইজ ১০ হাত, ১২ হাত ১৩ হাত হয়। নৌকা বিক্রি হয় তিন হাজার থেকে ছয় হাজার টাকায়। ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা লাভ হয়।নৌকাগুলো হাট থেকে নিজ এলাকায় নেওয়ার জন্য সেখানে প্রতি হাটে হাজির থাকেন ভ্যানচালকরা। লিয়াকত নামের এক ভ্যানচালক জানান, একটি নৌকা বহনের জন্য তাঁকে দেওয়া হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এ ছাড়া দূরের কোথাও গেলে আরো বেশি পান বলেও জানান তিনি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com