মধ্যবিত্তের সীমিত আয়ের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র কিনতে সুবিধা বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র কিনতে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে না। তবে ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এর আগে এই সুবিধা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ছিল।এর আগে গত ৩০ জুন জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত পাঁচটি সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। নতুন হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ সুদহার ১১.৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন সুদহার ৯.৭২ শতাংশ। এর আগে গত ১ জানুয়ারি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়। ওই সময় স্কিমের মুনাফার সর্বোচ্চ হার নির্ধারণ করা হয় ১২.৫৫ শতাংশ।সঞ্চয়পত্র কিনলে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র না লাগলে বিনিয়োগ সহজ হবে। এখন অনেক মধ্যবিত্ত, যাঁরা হয়তো এখনো রিটার্ন জমা দেননি (অথবা করযোগ্য আয় নেই), তাঁরা সহজেই ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন। করের ঝামেলা ছাড়া নিরাপদ সঞ্চয়ের সুযোগ বাড়ল। এর ফলে মধ্যবিত্তের ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে। বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মুনাফার হার কমানো পাঁচ স্কিমের মধ্যে রয়েছে পরিবার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট বা ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক মেয়াদি হিসাব।এসব সঞ্চয়পত্রের মধ্যে পরিবার সঞ্চয়পত্রের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। শুধু নারীরা এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর মেয়াদপূর্তিতে মুনাফার হার ১১.৯৩ শতাংশ। আর সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে এ মুনাফার হার ১১.৮০ শতাংশ করা হয়েছে।