সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের ২ লাখ টন গম আমদানি হবে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের আমদানিনির্ভর খাদ্যশস্য গম। চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক সুবিধা পেতে পণ্যটি দ্রুত আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম শিগগিরই আমদানি করা হবে। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি মেট্রিক টন এই গম কিনতে ব্যয় হবে ৩০২.৭৫ মার্কিন ডলার।এতে দুই লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম কিনতে ব্যয় হবে ৮১৭ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। দেশি মুদ্রায় প্রতি কেজি গমের দাম পড়বে ৩৭ টাকা ২০ পয়সা।খাদ্য মন্ত্রণালয় এমন একটি প্রস্তাব সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির পরবর্তী সভায় উত্থাপনের জন্য পাঠিয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আজ বুধবার এই সভা হওয়ার কথা রয়েছে।পাঁচ বছরে সাত লাখ টন গম আমদানি করা হবে। চুক্তির আওতায় প্রথম দফায় আনা হচ্ছে দুই লাখ টন।যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম কেনার যুক্তি তুলে ধরে খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩০ জুন বাণিজ্যসচিবের পক্ষ থেকে খাদ্যসচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর বিদ্যমান ১৫.৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে আরো ৩৭ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।যুক্তরাষ্ট্র থেকে অধিক পণ্য আমদানির মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, চলতি মাসে শুল্কের পরিমাণ ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করে যুক্তরাষ্ট্র।সরকারি খাতে গম এবং অন্যান্য খাদ্যশস্য আমদানি করা হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ছয় বিলিয়ন বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে।খাদ্য মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটস (ইউএসডব্লিউএ) হলো যুক্তরাষ্ট্রের গমশিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারি রপ্তানি বাজার উন্নয়ন সংস্থা এবং ইউএসডিএর সহযোগী অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সরকারি বিতরণব্যবস্থা সচল রাখার উদ্দেশ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় এই গম আনবে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ছয় লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির জন্য বাজেটে অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে। মন্ত্রণালয় প্রতিবছর জিটুজি পদ্ধতি এবং আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে গম সংগ্রহ করছে। এরই অংশ হিসেবে সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি করবে বলে জানায় খাদ্য মন্ত্রণালয়।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে প্রথমবারের মতো জিটুজি পদ্ধতিতে আগামী পাঁচ বছরে সাত লাখ টন গম আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।দুই কার্গো এলএনজি আমদানি হবে : দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে স্পট মার্কেট থেকে পৃথক দুটি আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার। এতে ব্যয় হবে এক হাজার ৩৫ কোটি ৭৩ লাখ ৬ হাজার ৮৪৭ টাকা।কেনা হবে ১ লাখ ৪০ হাজার টন সার : দেশের আমন মৌসুমের ফসল উৎপাদনে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি হবে সার। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে এক লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের সার আমদানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। চারটি পৃথক প্রস্তাবের আওতায় এসব সার আমদানিতে ৮৯২ কোটি ৪৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ব্যয় হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com