রংপুরের পীরগঞ্জ ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলে দেখা মিলছে কাশফুলের এমন সমারোহ।
শুক্রবার (২ আগস্ট) সরেজমিন দেখা যায়, নদীর চরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ফুটে আছে সাদা কাশফুল। নীল আকাশ, সাদা মেঘ আর সবুজের মাঝে কাশফুলের শুভ্রতা মিলে তৈরি হয়েছে মনোরম এক প্রাকৃতিক পরিবেশ। বিকেল গড়াতেই বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের আনাগোনা।
পরিবার-পরিজন, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে কাশবনে ঘুরছেন অনেকে। কেউ মুঠোফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন, কেউ কাশফুলের মাঝে বসে গল্পে মেতে উঠছেন। আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে উপভোগ করছেন নীরব প্রকৃতি। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসেও মুখর হয়ে উঠছে চরাঞ্চল।
কাশফুল দেখতে আসা দর্শনার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘কাশফুলের এমন দৃশ্য খুব কাছ থেকে দেখতে ভালো লাগে।
আরেক দর্শনার্থী মিরাজ বলেন, ‘নদীর পাড়, নীল আকাশ আর সাদা কাশফুল—সব মিলিয়ে জায়গাটি অসাধারণ সুন্দর। এখানে এলে মন ভালো হয়ে যায়।’
প্রতিবছর শরৎ এলেই করতোয়া নদীর চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ফুটে ওঠে কাশফুলের এই শুভ্র সমারোহ। কয়েক মাসের জন্য প্রকৃতি যেন নতুন সাজে সেজে ওঠে। আর সেই সৌন্দর্যের টানে ছুটে আসেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।
স্থানীয়দের মতে, দর্শনার্থীদের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা, বসার জায়গা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে করতোয়ার চরাঞ্চলের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্র। এতে একদিকে যেমন দর্শনার্থীদের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনীতিতেও তৈরি হতে পারে নতুন সম্ভাবনা।