সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

পাঁচ বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: সংসদে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ—এই পাঁচ বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, এসব বিভাগে আক্রান্ত রোগী এবং এডিস মশার লার্ভার উৎপত্তিস্থল বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

মীর শাহে আলম বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে ১২ সেপ্টেম্বর তিন মাসের ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এরপর প্রতি শনিবার সারা দেশে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও আশপাশে পানি জমতে পারে, এমন জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে সবাইকে যুক্ত হতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, এমন এলাকার উপজেলা হাসপাতালগুলোতেও বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অন্তত পাঁচটি শয্যা আলাদা করে প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন সরকারের কাছে পর্যাপ্ত রয়েছে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মশারির মধ্যে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশা যেন অন্য কাউকে কামড়ে নতুন করে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে, সে জন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে আগামী তিন মাসে রোগীর সংখ্যা এখনকার তুলনায় দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৩ জনে। আর হাসপাতালে ভর্তি রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৯৩৮ জনে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com