সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নুসরাত হত্যায় হাইকোর্টে দুজনের মৃত্যুদণ্ড ১০ জন খালাস

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

বহুল আলোচিত ফেনীর মাদরাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। চারজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া নিম্ন আদালতে রায় প্রদানকালে বিচারিক মন প্রয়োগ না করায় ফেনীর তৎকালীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ে যে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। তারা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম (২০)। মৃত্যুদণ্ড থেকে সাজা কমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন- নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জুবায়ের ও উম্মে সুলতানা ওরফে পপি।

খালাস পাওয়া ১০ জন হলেন— কামরুন নাহার মনি, হাফেজ আবদুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, আবদুর রহিম শরীফ, মোহাম্মদ শামীম, ইফতেখার উদ্দিন রানা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি ও মাদ্রাসার সাবেক সহসভাপতি রুহুল আমিন, আবছার উদ্দিন ও তৎকালীন কাউন্সিলর ও সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলর।

যে কারণে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে মাত্র দুই আসামির অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সিরাজ উদদৌলার সর্বোচ্চ সাজার রায়ে আদালত বলেছেন, আসামি সিরাজ উদদৌলা এই মামলা দায়েরের আগে ভুক্তভোগী নুসরাত জাহান রাফির স্লীলতাহানি করেছিলেন। পরবর্তীতে এই শ্লীলতাহানির মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় আসামি সিরাজ উদদৌলা অন্যান্য দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সঙ্গে পরিকল্পনা করে নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন। শ্লীলতাহানির এই ঘটনা থেকেই হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণে দেখা যায় সিরাজ উদদৌলা সরাসরি ষড়যন্ত্র করেছেন। এবং অন্যান্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকেও এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। এ কারণে তার সাজা বহাল রাখা হয়েছে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com