মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

দুদক নতুন আঙ্গিকে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

দেশের দুর্নীতির লাগাম টানতে পূর্ণ শক্তিতে মাঠে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নবনিযুক্ত কমিশনের প্রথম বৈঠকেই বিদ্যমান জনবলকে দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি সংস্থাটিকে আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

এ ছাড়া কমিশনের কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিন ধরে নিষ্পত্তি না হওয়া অনুসন্ধান ও তদন্তগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান কমিশন রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। তবে দুদকের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি রোধ করে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করতে পারাটাই বর্তমান কমিশনের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ ব্যাপারে দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান কমিশন অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব, যাতে দেশ থেকে দুর্নীতি লাঘব করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকেই দুদকের চলমান সব ফাইল চাওয়া হয়েছে। কোন ফাইল কার বিরুদ্ধে সেটা দেখা হয়নি।দুদকের অভ্যন্তরীণ শুদ্ধির জন্য কমিশন কাজ করবে। কমিশনের জনবল ঘাটতি পূরণ করে পূর্ণ শক্তিতে দুর্নীতি নির্মূলে মাঠে নামার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুদককে আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নিশ্চয়ই নখ-দন্তহীন অবস্থা থেকে দুদকের উত্তরণ হবে।’

 

এ ব্যাপারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, দুদককে দিয়ে সরকারদলীয়দের দুর্নীতির সুরক্ষা দেওয়া ও বিরোধী দল-মত প্রকাশকারী প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করা হতো। দুদক জন্মলগ্ন থেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও আমলাতান্ত্রিক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে তা আরো প্রকট আকার ধারণ করে। সরকারের পক্ষের ও দুদকের ভেতরের কিছু লোকজন আছেন, যাঁরা চান না যে দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করুক। বর্তমান কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করার নজির স্থাপন করা।

দমন-পীড়নের হাতিয়ার হতে অনাগ্রহ : দুদক প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘নামমাত্র’ স্বাধীন। বাস্তবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় দুদকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বেশি। এ সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্ষমতাসীন দলীয় নেতাকর্মীদের দুর্নীতি লুকানো ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের পাশাপাশি মিথ্যা ও

হয়রানিমূলক মামলা করা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। হাসিনা সরকারের আমলে দলীয় পছন্দের লোকজন দিয়ে প্রতিটি কমিশন (চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার) গঠন করা হয়েছে। ফলে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দুদক আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি বিএনপি ও জামায়াতের সব শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান ও দুর্নীতির মামলা করেছে। তবে বর্তমান কমিশন দমন-পীড়নের হাতিয়ার হতে চায় না। নবনিযুক্ত কমিশন কারো নাম দেখে নয়, বরং দুর্নীতির বিষয়বস্তু দেখে অনুসন্ধান ও তদন্ত নিষ্পত্তিতে গুরুত্বারোপ করছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান।

গোড়ায় গলদ সংশোধনের চেষ্টা : স্বাধীন ও কার্যকর দুদক হলে দুদক চেয়ারম্যান এবং দুই কমিশনারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় হতে হবে। তবে আওয়ামী সরকারের আমলে দুদকে কোনো নির্দলীয় বা নিরপেক্ষ লোক দিয়ে কমিশন গঠন করা হয়নি।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে দুদকে পাঁচজন চেয়ারম্যান পরিবর্তন হয়। এই পাঁচজন চেয়ারম্যানের মধ্যে প্রথম নিয়োগ করা চেয়ারম্যান নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করেও অন্য দুজন কমিশনারের জন্য সফল হননি। পরে নিয়োগকৃত চারজন চেয়ারম্যান সরকারের তাঁবেদারি ও বিরোধী দলের ওপর মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন। সেসব মামলায় আসামিরা পরবর্তী সময়ে আদালত থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ১ মে গোলাম রহমানকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দুদকের স্বাধীনতা খর্বের কারণে তিনি দুদককে ‘নখ-দন্তহীন বাঘ’ বলেছিলেন। তাঁর সময়ে ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলা করা হয়।

মামলাটি করে সরকারের মন্ত্রীদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ডাল মে কুচ কালা হে’। তবে তিনি চেষ্টা করেও মামলাটির তদন্ত শেষ করতে পারেননি। ২০১৩ সালের ২৬ জুন কমিশনে নতুন চেয়ারম্যান হন মো. বদিউজ্জামান। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তদন্ত শেষে তাঁর সময় আদালতে মামলাটির ফাইনাল রিপোর্ট (এফআরটি) দাখিল করা হয়। এরপর আর কোনো কমিশনই এই মামলার তদন্তে হস্তক্ষেপ করেনি।

সর্বশেষ গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর মামলাটি পুনরায় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে এম বদিউজ্জামানের পর ২০১৬ সালের ১০ মার্চ কমিশনে ড. ইকবাল মাহমুদ নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। কথিত আছে, ইকবাল মাহমুদের সময় দুদকের ভেতরের দুর্নীতি ছিল ওপেন সিক্রেট। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দুর্নীতির ও আমলাদের দুর্নীতির সুরক্ষা ছিল দুদকের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

২০২১ সালের ১০ মার্চ কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। তিনি ইকবাল মাহমুদের দেখানো পথে হাঁটেন। তিনিও আওয়ামীদের সুরক্ষা ও বিএনপি-জামায়াত দমনে নিয়োজিত ছিলেন। এমনকি সরকারকে বিভিন্ন সহযোগিতার জন্য পুরস্কারস্বরূপ দুদকের সাবেক দুই কমিশনার মোজাম্মেল হক খান ও জহিরুল হককে ধানমণ্ডিতে দুটি ডুপ্লেক্স ভবন বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে দুদক এর মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

নবনিযুক্ত দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিচারাঙ্গনে যেমন ন্যায়নীতি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি, এখানেও (দুদক) সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। ইনশাআল্লাহ, দেশের জনগণ ভালো ফলাফল দেখতে পাবে।’

নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট : দুদক আইন, ২০০৪-এর ৩৩ ধারায় কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট গঠন ও এর সার্বিক কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে। তবে আইনে থাকলেও গত ২১ বছরেও কমিশনের স্থায়ী নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট গঠন করা হয়নি। বরাবরই দলীয় আইনজীবীরা এই প্রসিকিউশন প্যানেলে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। ফলে সরকার পরিবর্তন হলেই প্রসিকিউশন প্যানেলের আইনজীবীদের পরিবর্তন হয়। এতে একদিকে দুদকের সব মামলায় সরকারদলীয়রা খালাস পান, অন্যদিকে বিরোধীদলীয়দের দমনে হাতিয়ার হিসেবে দুদককে ব্যবহার করা হয়। বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট থাকার ব্যাপারে সংস্কার কমিশন ঐকমত্যে পৌঁছেছে। বর্তমান কমিশনও বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

আমলাতন্ত্র থেকে দুদকের মুক্তি : প্রেষণে আসা কর্মকর্তাদের দুদকের গলার কাঁটা বলে অভিহিত করা হয়। এটি অন্যতম বড় সমস্যা। তাদের বেশির ভাগ রাজনৈতিক সুপারিশ বিভিন্ন দপ্তর থেকে আসে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো প্রেষণে আসা এসব কর্মকর্তা কোনো অপকর্ম করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই কমিশনের। তাই সহজে তাঁরা দুর্নীতি ও অপকর্ম করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে চলে যান। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কমিশনে প্রেষণে সব নিয়োগ শিগগিরই বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অর্থপাচার রোধ ও সমন্বয় : অর্থপাচার রোধে দেশে দুদকসহ রাষ্ট্রীয় সাতটি সংস্থা কাজ করছে। কিন্তু কার্যকর ফল নেই। পাচার বন্ধ না হওয়ার নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতাসহ অন্তত এক ডজন কারণ চিহ্নিত করা গেছে। পাশাপাশি সম্পদ পুনরুদ্ধার, অর্থাৎ বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফেরতের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বিদেশ থেকে সম্পদ ফিরিয়ে আনতে হলে দুদককে পর্যাপ্ত আইনি ক্ষমতা দিতে হবে। বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি দমন সংস্থার সঙ্গে দুদকের এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা চুক্তি করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি তৈরি : দুদকে যেন ‘সরষের ভূত’ না থাকে—এ প্রত্যাশা দেশবাসীর। এতে দুদক কর্মকর্তাদের কাজে আরো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি তৈরি করতে হবে। দুদকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটরিংয়ের জন্য দুদকের অভ্যন্তরে পৃথক ইনটেলিজেন্স সেল গঠন করতে হবে। বর্তমান কমিশন দুদকের অভ্যন্তরীণ শুদ্ধির দিকে গুরুত্বারোপ করেছে।

পরিধিসহ অন্যান্য সক্ষমতা বৃদ্ধি : দুদককে শক্তিশালী করতে হলে এর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। কমিশনের প্রথম বৈঠকেই বর্তমান জনবলকে দ্বিগুণ করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে বর্ধিতভাবে ৬৮টি দুদকের কার্যালয় স্থাপন সংক্রান্ত অর্গানোগ্রাম চূড়ান্ত করে অনুমোদন করতে হবে। এগুলো হলো ৬৪টি জেলা কার্যালয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি মহানগর কার্যালয় এবং এয়ারপোর্ট ও স্থল বন্দরে দুটি কার্যালয়। এ ছাড়া দুদকের নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলাসহ দেশে ও বিদেশে কর্মকর্তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন : রাষ্ট্রীয় এ সংস্থাটিকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করতে হবে। অনুসন্ধান থেকে প্রসিকিউশন, সব কাজ ম্যানুয়ালি করার পরিবর্তে আধুনিক সফটওয়্যারের (ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড প্রসিকিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম-আইপিএমএস) মাধ্যমে করতে হবে। এতে কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ কাজগুলো দ্রুত এবং সহজে করা যাবে। কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শেষে আইপিএমএসের পরীক্ষামূলক ব্যবহারও করা হয়েছে। অজ্ঞাত কারণে এর পুরোপুরি ব্যবহার শুরু হয়নি। তবে কমিশনের প্রথম বৈঠকেই আধুনিক ডেটা বেইস তৈরিতে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পুলিশের আদলে ক্রিমিনাল ডেটা বেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) তৈরির বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

দুষ্টচক্র থেকে যাবাক রক্ষা : প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ হাজার অভিযোগ দুদকে আসে। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে এনফোর্সমেন্ট কিংবা অনুসন্ধানের জন্য নেওয়া হয় মাত্র ১০ থেকে ১২টি অভিযোগ। বাকি প্রায় চার হাজার ৯৯০টি অভিযোগের বিষয়ে কোনো ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয় না। মূলত এটিই দুদকের দুষ্টচক্র। অভিযোগ যাচাই-বাছাই কমিটি (যাবাক) নামে দুদকে একটি সেল রয়েছে। কমিশন সৃষ্টির পর থেকে এই সেলের প্রধান থেকেছেন সব সময় একজন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। ফলে যাবাক কখনই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি।

কর্মকর্তাদের কাজের প্রণোদনা : দুদকের মামলায় আপিলে চূড়ান্ত রায় হওয়ার পর রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্পদের একটি অংশ দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পুরস্কার বা কাজের প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া দুদকের কর্মকর্তাদের জন্য ঝুঁকি ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে। দুদকে পদোন্নতির জট, পরিবহন সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজনীয় সোর্সমানির ব্যবস্থা করার কথাও বলেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com