আগে ক্যান্সার নির্ণয়সহ যেসব ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রোগীদের ঢাকা অথবা দেশের বাইরে যেতে হতো বা স্যাম্পল ঢাকায় প্রেরণ করতে হতো সেসব পরীক্ষা এখন শতভাগ চট্টগ্রামে করার সক্ষমতা অর্জন করেছে এপিক হেলথ কেয়ার।ক্যান্সার নির্ণয়ে বায়োপসি অথবা শরীর থেকে টিস্যু নিয়ে যেসব পরীক্ষার জন্য ঢাকা অথবা দেশের বাইরে পাঠানো হতো সেই পরীক্ষা এখন সম্ভব হচ্ছে চট্টগ্রামে। প্রথম আইএসও অ্যাক্রিডিটেশন প্রাপ্ত হেলথ কেয়ার সেন্টার এপিক ক্যান্সার নির্ণয়ের যাবতীয় পরীক্ষা চট্টগ্রামেই চালু করেছে। এখন থেকে চট্টগ্রাম মহানগরী, জেলা-উপজেলাসহ সমগ্র চট্টগ্রাম বিভাগের রোগীদের ক্যান্সার নির্ণয়সহ যাবতীয় জটিল ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা করা যাবে এপিক হেলথ কেয়ারে।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর পাঁচলাইশে এপিক হেলথ কেয়ার সেন্টারে ৭ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান এপিক হেলথ কেয়ারের নির্বাহী পরিচালক (সেলস এন্ড মার্কেটিং) টি এম হান্নান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের দ্বিতীয় রাজধানীতে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করতে আইএসও অ্যাক্রিডিটেশন সনদ অর্জনের মাধ্যমে ল্যাবরেটরি সেবায় এপিক হেলথ কেয়ার চট্টগ্রামকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আগে ক্যান্সার নির্ণয়সহ যেসব ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রোগীদের ঢাকা অথবা দেশের বাইরে যেতে হতো বা স্যাম্পল ঢাকায় প্রেরণ করতে হতো সেসব পরীক্ষা এখন শতভাগ চট্টগ্রামে করার সক্ষমতা অর্জন করেছে এপিক। ক্যান্সার নির্ণয়ে বায়োপসির পাশাপাশি ফ্রোজেন সেকশান নামক বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে অপারেশন চলাকালীন সময়ে রোগীকে অপারেশন টেবিলে রেখেই ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই রোগীর শরীরের ক্যান্সারের পরিধি শনাক্তকরণের সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে এপিক হেলথ কেয়ারে।