সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

জনগণ এমবিআরকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
  • ডিজিটাল কর প্রশাসনের বিকল্প নেই
  • জনগণ এনবিআরকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়
  • ২০ হাজার চা শ্রমিককে রেইনকোট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনসমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বার্থে দেশে একটি শক্তিশালী রাজস্বব্যবস্থা গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সকলের প্রয়োজন দেশপ্রেম এবং আন্তরিকতা।আসুন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বার্থে আমরা সবাই মিলে একটি শক্তিশালী রাজস্বব্যবস্থা গড়ে তুলি। আরো সমৃদ্ধ, আরো বিনিয়োগ এবং আরো ব্যবসাবান্ধব একটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশায় আমি এই রাজস্ব সম্মেলনের সফলতা কামনা করছি।’ 

    গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ-চীন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহবান জানান। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সম্মেলনের আয়োজন করে।রাজস্ব সম্মেলনে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট এবং শুল্ক—প্রতিটি বিভাগ থেকে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও কর ব্যবস্থাপনার ওপর একটি তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুল্ক-কর কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তা তুলে ধরেন এবং সমস্যাগুলোর সমাধানে তাঁদের মতামত দেন। প্রধানমন্ত্রী আগ্রহ নিয়ে তাঁদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ প্রধানমন্ত্রী এনবিআরের  বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

     

    রাজস্ব আহরণে রাজস্ব কর্মকর্তাদের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটি আশা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা বলতে চাই। গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়টিতে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ছিল ইতিবাচক। এটি প্রমাণ করে, আপনারা পারেন, আপনারাই পারেন এবং আপনারা অবশ্যই পারবেন ইনশাআল্লাহ।’

    তিনি বলেন, ‘এনবিআরের সকল কার্যক্রমের সাফল্যের ওপরই সরকারের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের সফলতা বহুলাংশে নির্ভরশীল।আশা করি, আজকের এই সম্মেলন হবে আগামী দিনে আপনাদের আরো অধিক সাফল্যের পথনির্দেশনার সম্মেলন।’

     

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এনবিআরের ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের সময় এই ডিপার্টমেন্টে (এনবিআর) একটি ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাটিকে আমরা দুঃখজনক ঘটনা বলে অভিহিত করতে চাই। আমি আগেই বলেছি, সরকার চায় সবাইকে সঙ্গে করে নিয়ে বাংলাদেশকে গড় তুলতে। প্রত্যেকটি মানুষের কন্ট্রিবিউশনকে সম্মানের সঙ্গে দেখতে চায় সরকার। সমস্যা আছে, সমস্যা থাকবেই। আমরা আলোচনা করে ধীরে ধীরে সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা করব।’

    তিনি বলেন, ‘আপনারা নিরাপদে স্বস্তি নিয়ে দেশ গঠনে কাজ করুন। সরকারের অবস্থান থেকে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব দেশের স্বার্থে, দেশের প্রয়োজনে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলোকে প্রায়োরাটাইজ করতে।’

    ডিজিটাল কর প্রশাসনের বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারা বিশ্বে একটি প্রযোজ্য বিষয় হলো, আধুনিক কর প্রশাসনের উদ্দেশ্য শুধু বেশি কর আদায় নয়; বরং বেশিসংখ্যক মানুষকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত করা। একজন করদাতা, যিনি নিয়মিত কর আদায় করছেন, রাষ্ট্র যেমন তাঁকে সম্মানিত করবে, একইভাবে যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কর পরিহার করছেন, তাঁকেও কর প্রদানের জন্য যথাযথভাবে উদ্বুদ্ধ বা আগ্রহী করে তোলা প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘কর ব্যবস্থাপনা কিংবা কর আদায় পদ্ধতি সহজ এবং দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে মানুষ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে কর প্রদানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আমার কাছে মনে হয়, একই করদাতার ওপর বারবার করের বোঝা বাড়িয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির নীতি খুব সম্ভব টেকসই পদ্ধতি নয়। বরং কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের যথাযথ নিয়মে করের আওতায় আনার ব্যবস্থা করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা বোধ হয় অত্যন্ত প্রয়োজন। এ জন্য ডিজিটালি আধুনিক ডেটাভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলার বিকল্প নেই।’

    ভ্যাট ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাট আধুনিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজস্ব বিষয়। তবে ভ্যাট ব্যবস্থাপনার সফলতা নির্ভর করে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। ভ্যাট প্রশাসনের জটিলতার কারণে যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হয়, সেটিও আপনাদের কষ্ট করে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

    তিনি বলেন, ‘দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এমনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন. যেখানে মানুষ এই প্রতিষ্ঠানকে ভয় না করে বরং বিশ্বাস করবে। আশা করি, দেশের স্বার্থে আপনারা এনবিআরকে জনগণের আরো বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সক্ষম হবেন।’

    জনগণ এনবিআরকে একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায় : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের জানা আছে, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রের অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও মুক্ত থাকতে পারেনি। এনবিআরের নীতি-নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি কিংবা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারো প্রতি বিরূপ মনোভাব কিংবা রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। এনবিআরের ওপরে মানুষের আস্থা বিনষ্টের অন্যতম কারণ ছিল এই বিষয়গুলো।’

    তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। অর্থাৎ বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। দেশের জনগণ বর্তমানে এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করে। দেশের জনগণ, বিশেষ করে করদাতারা এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। একের পর এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে। ব্যবসায় নতুন নতুন মডেল তৈরি হচ্ছে। নানা রকম চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে। পরিবর্তিত বিশ্বের অর্থনৈতিক সমস্যা, সম্ভাবনা, সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।’ তিনি বলেন, ‘খুব সম্ভব ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, ট্রান্সফার প্রাইসিং, ইন্টার ট্যাক্সেশন, ট্রেড ফিন্যান্স, ফিন্যানশিয়াল ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স—এই সবগুলো বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট নলেজ থাকাটা এখন বোধ হয় অত্যন্ত প্রয়োজন। করদাতা ও রাজস্ব প্রশাসনের মধ্যে আস্থার সম্পর্কও আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন।’

    রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বক্তব্য দেন। রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।

    ২০ হাজার চা শ্রমিককে রেইনকোট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন : ২০ হাজার চা শ্রমিককে রেইনকোট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ১০ জন চা শ্রমিকের হাতে প্রধানমন্ত্রী এই রেইনকোট তুলে দিয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির।

    তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটের চা-বাগান শ্রমিকদের মধ্যে বেসরকারি খাতের সিএসআর তহবিলের সহায়তায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ কর্মসূচির সূচনা করেছেন। এর অংশ হিসেবে ১০ জন শ্রমিকের হাতে রেইনকোট তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের খোঁজখবর নিয়েছেন।’

    চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, সরকার এবং রেইনকোট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে মাজদিহি চা-বাগানের সন্তুকী রায় প্রধানমন্ত্রীকে চা-পাতা উপহার দেন। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মীঠু, মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলাম, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. জি কে গউছ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সাল উপস্থিত ছিলেন।

    অংশগ্রহণকারী বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের (বাপি) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইউনিমেড ও ইউনিহেলথের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দেক হোসেন, বাপির উপদেষ্টা ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য ও এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিমিন রহমান, নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, শেভরন বাংলাদেশের করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক মো. ইমরুল কবির, শেভরন বাংলাদেশের অপারেশনস পরিচালক আশিক শেহজাদ রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্যের সাক্ষাৎ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পাওয়া নতুন চার সদস্য। গতকাল সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ, মো. আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চার নেতার সাক্ষাতের সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে স্থায়ী কমিটির এই চার সদস্য শেরেবাংলানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com