চাঁদে নভোযান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। আগামী তিন বছর, অর্থাৎ ২০২৯ সালের মধ্যে নিজেদের তৈরি ‘জিন্নাহ-১’ নামের নভোযানটিকে চাঁদে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো)।গত বৃহস্পতিবার সুপারকো থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৯ সালে চীনের চ্যাং ই-৮ অভিযানের সফরসঙ্গী হিসেবে চাঁদের উদ্দেশে রওনা হবে জিন্নাহ-১। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরু এলাকায় বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান পরিচালনা করতে ২০২৯ সালে চ্যাং ই-৮ নভোযান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল চীন।
চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলটি চন্দ্রপৃষ্ঠের দুর্গম ও চ্যালেঞ্জিং এলাকা। তবে প্রাথমিক গবেষণায় জানা গেছে, এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ ও বরফ অবস্থায় পানি প্রাপ্তির ব্যাপক সম্ভাবনা আছে।২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতীয় নভোযান ‘চন্দ্রযান ৩’ এই দক্ষিণ মেরু অঞ্চলেই অবতরণ করেছিল। এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, নিজেদের প্রথম চান্দ্র নভোযানের নাম নির্ধারণ করতে দেশজুড়ে আবেদন বা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছিল এবং চার হাজার প্রস্তাব যাচাইয়ের পর ‘জিন্নাহ-১’ নামটি নির্বাচন করা হয়েছে। সুপারকোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি সম্মান জানিয়ে নিজেদের প্রস্তাবিত প্রথম নভোযানের নাম রাখা হয়েছে ‘জিন্নাহ-১’।
২০২৪ সালে পাকিস্তান চীনের চ্যাং ই-৮ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে সুপারকোর পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, ‘এই সহযোগিতা পাকিস্তানের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ সুপারকোর দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি রোভারটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অন্বেষণ অভিযানের অংশ হবে।