মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষার সুযোগ অনগ্রসর এলাকার জনসাধারণের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেলে সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ তৈরি হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও শহীদ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান। জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর ঢাকা জেলার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জুবাইদা রহমান। ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে এ প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ঢাকার মোট ৩৭টি দল অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে প্রথম হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, দ্বিতীয় হয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ এবং তৃতীয় হয়েছে হলিক্রস কলেজ।  বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জুবাইদা রহমান। কেবল ঢাকা নয়, সারা দেশেই জেলা পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে দেশের প্রান্তিক এলাকার কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান বলেন, তার পরও কিন্তু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেওয়া থামায়নি। হয়তো তাদের মধ্যেই কেউ হবে বাংলাদেশের নাম বিশ্বের বুকে উজ্জ্বল করা ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী। জুবাইদা রহমান বলেন, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার শিক্ষার অধিকার রয়েছে। শিক্ষার সুযোগকে অনগ্রসর এলাকার জনসাধারণের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেলে প্রতিভা অন্বেষণ ও উপযুক্ত সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ করা যাবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জুবাইদা রহমান বলেন, অসাধারণ সাফল্য যেন তোমাদের জীবনকে আলোকিত করে, সেই আলোর আলোকচ্ছটায় আগামীর বাংলাদেশ যেন বিশ্বে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো প্রতীয়মান হয়।

স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর ঢাকা জেলার অনুষ্ঠানে প্রতিযোগী দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাদের প্রকল্পগুলো সম্পর্কে ধারণা নেন জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘আমরা আর চাই না সেই পুরোনো দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।… আমরা সৃজনশীল লেখাপড়া আনব, আমরা বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা করব।’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, সারা দেশে এ প্রতিযোগিতায় ৬৪ জেলা থেকে ১২ হাজার দল অংশ নিয়েছে। এতে অংশ নেন প্রায় ৩৬ হাজার ছাত্রছাত্রী এবং প্রায় ২৪ হাজার শিক্ষক। তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা দক্ষ ও যোগ্য হয়। ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, বিএএফ শাহীন কলেজের ছাত্রী আয়াত সিমরান ও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্র মো. শাফায়েত বিশ্বাস। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী এবং সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক খুঁজে বের করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের উদ্যোগে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী এই উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ প্রতিযোগিতা ঘিরে উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞান প্রকল্প ও স্টার্টআপ ধারণার প্রদর্শনী যেন পরিণত হয়েছে তরুণ মেধার এক প্রাণবন্ত উৎসবে। তিন ধাপে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। তাতে প্রতিটি উপজেলা থেকে সেরা একটি দল এবং মহানগর এলাকার থানা থেকে সেরা দুটি দল গতকাল জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। একেকটি দল গঠিত হয় তিনজন শিক্ষার্থী ও দুজন শিক্ষকের সমন্বয়ে। সারা দেশে জেলা পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতা থেকে বাছাই করা হচ্ছে সেরা ১০০টি দল। তাদের নিয়ে ২৮ জুন রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেওয়া দলগুলো তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করবে। সেখান থেকে নির্বাচিত হবে সেরা ১০টি দল। বিজয়ী শিক্ষার্থীরা পাবে ২০ হাজার টাকা ও সনদ। আর বিজয়ী শিক্ষকরা পাবেন ৩০ হাজার টাকা ও সনদ।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com