আড্রিয়াটিক সাগরের নোনা হাওয়া এসে ছুঁয়ে যাচ্ছিল
আমার পোড়-খাওয়া মুখ, ভাঁজ-পড়া মুখাবয়ব যেন
ইতালিয়ান উপদ্বীপ আর বলকান উপদ্বীপের পৃথককরণ।
যেহেতু আমি জানালার বাইরে পাখিদের দেখছিলাম
উল্টো ঝাঁপ দিতে, যখন তাদের ডানা ঘুরল প্রবালের দিকে,
তখন আমার চোখ ঝাপসা হয়ে এলো
ঘুমঘোর চকচকে আভায়—ঠিক যেন তোমার কেকের ওপরের আস্তরণ।
কখনো যেন না বলা হয় যে আমি বরং
হৃদয়-আকৃতির তীরন্দাজের বোর্ডে তীর ছুড়তে চাই
বা কোনো গুহায় বহুভাষিক শ্লেষ রচনা করতে চাই।
আমি চাই, আমি আকুল হয়ে চাই রূপান্তরকারী ভালোবাসা।
যত নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায় জল, মুখ চায় রুটি।
কিন্তু আমি ভয় পাই আরো শীতল রূপান্তরগুলোকে
যারা অপেক্ষায় পড়ে থাকে এবং হুমকি দেয়
মধুর চাঁদকে গুড়ের পুকুরে পরিণত করার।
প্রশস্ত সম্মুখের বারান্দাকে সংকীর্ণ পেছনের বাগানে
আর বন্ধুত্বের শক্ত বলয়গুলোকে ভঙ্গুর জিনিসে পরিণত করার—
যা ভেঙে পড়ে সোনার আংটি যখন উজ্জ্বল ইঙ্গিত দেয় :
‘তাড়াতাড়ি চলে যাও, বাড়ি যাও, এক হয়ে যাও সেই একজনের সঙ্গে’
তখন আড্রিয়াটিক সাগর আর সাগর থাকে না
ইতালিয়ান উপদ্বীপ আর বলকান উপদ্বীপ এক হয়ে যায়।