এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছিলেন যে ইরান তাদের ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হয়েছে।
চুক্তি হলে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যেও যুদ্ধ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন এই মার্কিন কর্মকর্তা। তবে হিজবুল্লাহ যদি কোনো হামলা বা উসকানি দেয় তাহলে ইসরায়েলকে হামলার অনুমতি দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করার দ্বারপ্রান্তে আছে। আর চুক্তিটি হলে বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বৃদ্ধি করা হবে।
এদিকে, পাকিস্তান খুব শিগগির ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী দফার বৈঠক আয়োজন করতে পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেই সঙ্গে ইসলামাবাদ দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
এক্সে দেওয়া পোস্টে শেহবাজ শরিফ লেখেন, ‘পাকিস্তান সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই পরবর্তী দফার আলোচনা আয়োজন করতে পারব।’ ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সহজ করতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উভয় পক্ষই চলমান সংঘাতের একটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে। ট্রাম্প আরো বলেন, এই চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে তিনি জানান, এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের আলোচকদের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সূত্র : রয়টার্স, এক্সিওস, মিডল ইস্ট আই