মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

রামিসাদের বাসায় প্রধানমন্ত্রী, পরিবারকে দিলেন সান্ত্বনা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার সাত বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকে রামিসাদের বাসায় গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

রামিসার মা-বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। প্রধানমন্ত্রী রামিসার পরিবারকে সান্ত্বনা দেন। রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।

এ সময় রামিসার মা-ও কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। 

প্রধানমন্ত্রী সেখানে ১৮ মিনিট করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তারেখার বাইরে রামিসার সহপাঠী ও এলাকাবাসী হত্যার দ্রুত বিচার ও জড়িত ব্যক্তির ফাঁসির দাবি জানান।

 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, ‘রামিসার বাবার হাতে প্রধানমন্ত্রী অর্থ সহযোগিতা তুলে দেন।’ রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের লেখাপড়া এবং ভবিষ্যৎ দায়িত্বভার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন বলে তাঁর প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল আলম মিল্টন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ঘাতক সোহেল রানা। 

পুলিশ জানায়, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সন্দেহভাজন সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com