মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

বেইজিংয়ে এক চীন নীতির প্রতি সমর্থন, আলোচনায় বাণিজ্য সহযোগিতা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও চীন পরস্পরের মধ্যে সংযোগ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্ম ও আঞ্চলিক বিষয়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশ তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইডিসিপিসি) মন্ত্রী লিউ হাইজিংয়ের সঙ্গে বৈঠককালে এই আলোচনা হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ ‘এক চীন নীতি’র প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং কৌশলগত বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করার প্রস্তুতির কথাও জানায়।

 

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে; বিশেষ করে সংযোগ জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক বিষয়ে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি সংযুক্ত, অর্থনৈতিকভাবে প্রাণবন্ত এবং বৈশ্বিকভাবে সম্পৃক্ত বাংলাদেশ গড়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

এর আগে গত বুধবার বেইজিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে এমন প্রত্যাশার কথা জানানো হয়। বৈঠক শেষে দুই দেশের এক যৌথ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়; তাতে বলা হয়েছে, তিস্ত নদী বিস্তৃত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) চীনের সম্পৃক্ততা ও সমর্থন কামনা করেছে বাংলাদেশ।

 

বিএনপি সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর ড. খলিলুর রহমান ওয়াং ইর আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো চীন সফর করছেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে গভীর আলোচনা করেছে। উভয় পক্ষই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি দৃঢ়ভাবে মেনে চলা, উচ্চ পর্যায়ের বিনিময়ের গতি বজায় রাখা, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা ও উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে সমন্বয় আরো গভীর করা এবং চীন-বাংলাদেশ সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com