হাঁটার বিকল্প ব্যায়াম : হাঁটাহাঁটিরচেয়ে নাচেই বেশি উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত নাচলে হাড় মজবুত হয়। পেশির শক্তি ও নমনীয়তা বাড়ে।
মানসিক চাপ কমাতে : প্রতিদিন যদি কেউ নাচে, তাহলে তার দুশ্চিন্তা দূর হয়। মানসিক চাপ সামলাতেও নিয়মিত নাচলে উপকার পাওয়া যায়। মানসিক অবসাদে ভুগছে কিংবা দুশ্চিন্তায় রয়েছে এমন মানুষের ক্ষেত্রে নাচ থেরাপি হিসেবে কাজ করে। গানের তালে তালে নৃত্য করতে হয়। গান মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শরীরের ব্যথা নিরাময়ে : দীর্ঘদিন ধরে ব্যথায় ভুগছে এমন মানুষের জন্যও নাচ উপকারী। শর্ত হলো, নিয়মিত নাচতে হবে।
আলঝেইমার’স রোধে : নিয়মিত নাচলে ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়ে। কগনিটিভ স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে মনের ওপর। নিয়মিত নাচের অনুশীলন মস্তিষ্কের জটিল রোগ আলঝেইমার’স-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনযাপনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আলঝেইমার’স মস্তিষ্কের এক ধরনের অস্বাভাবিকতা, যাতে সাধারণত স্মৃতিভ্রংশ হয়। সিজোফ্রেনিয়ার মতো মস্তিষ্কের মারাত্মক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও নাচ ভীষণ উপকারী।
শরীরচর্চা হয় : নৃত্য শরীরচর্চার স্বতন্ত্র একটি মাধ্যম। যেমন—সাইকেল চালানো শরীরচর্চার বড় মাধ্যম। কিন্তু সাইকেল চালানোর মতো শরীরচর্চার মাধ্যমগুলোর চেয়েও নাচ ভিন্ন। বলা হচ্ছে, নৃত্য একজন মানুষকে স্বতন্ত্রভাবে নিজেকে উপস্থাপন করার সুযোগ করে দেয়।
শরীরে স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় : নাচের ধরনের শেষ নেই। নাচের সময় শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিভিন্ন গতি ও ভঙ্গিমায় নড়াচড়া করতে হয়। এতে শরীরের জোড় ও মাংসপেশিগুলো স্থিতিস্থাপক হয়। এতে মাংসপেশিতে সহজে টান ধরে না। আপনি স্ট্রেচিং করে যেসব উপকার পাবেন নাচের মাধ্যমেও তা পাওয়া সম্ভব।
ওজন নিয়ন্ত্রণে : ওজন কমাতেও নিয়মিত নাচতে পারেন। ওজন কমাতে অ্যারোবিক নাচের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। অন্যান্য ব্যায়ামের তুলনায় নাচ অনেক উপভোগ্য। এ জন্য হঠাত্ ছেড়ে দিতে মন চায় না।
হূদযন্ত্রের সুস্থতায় : উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হূদরোগ থেকে বাঁচতে নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি। দ্রুত লয়ের নাচও এ ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকর। এতে হূিপণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে। স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক কম হয়।
তারুণ্য ধরে রাখে : নিয়মিত নাচলে শরীরে কোলাজেনের উত্পাদন বাড়ে। এটি আমাদের ত্বক ভালো রাখে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার গতি কমিয়ে দেয়। তারুণ্য ধরে রাখে।
আত্মবিশ্বাস বাড়াতে : নাচ আপনার আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়াতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। কঠিন মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।