সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চীন?

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাংশ থেকে একটি পরিচিত সুর শোনা যাচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সংগ্রামে সাহায্য করার জন্য চীন হয় ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করছে অথবা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আখ্যানটি যতটা নাটকীয়, বাস্তবতা থেকে ততটাই বিচ্ছিন্ন। এটিকে একটি সুবিধাজনক ছাঁচে ফেলা যায় : বেইজিং হলো ছায়াময় সহায়তাকারী, তেহরান হলো ইচ্ছুক প্রতিনিধি এবং মধ্যপ্রাচ্য হলো বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার দাবা খেলার ছক।

 

কিন্তু এই ধরনের অনেক ছাঁচের মতোই, এটিও নিজের ভারেই ভেঙে পড়ে। চীন ইরানকে অস্ত্র দিচ্ছে—এই অভিযোগটি শুধু অপ্রমাণিতই নয়; এটি বেইজিংয়ের ঘোষিত নীতি, বৈশ্বিক সংঘাতগুলোতে তার ধারাবাহিক আচরণ এবং কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে মৌলিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এর কারণ বুঝতে হলে, ঠাণ্ডা যুদ্ধের দৃষ্টিভঙ্গি সরিয়ে রেখে বেইজিং আসলে কিভাবে কাজ করে তা খতিয়ে দেখতে হবে।

প্রথমত, চীনের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ‘অহস্তক্ষেপ ও জোটনিরপেক্ষতা’ বিবেচনা করুন।

কয়েক দশক ধরে চীন সামরিক জোটে প্রবেশ করতে বা অন্য দেশের যুদ্ধে কোনো পক্ষ নিতে অস্বীকার করে আসছে। এটা কোনো কথার কথা নয়। এটি একটি মূলনীতি, যা কোরীয় উপদ্বীপ থেকে বলকান পর্যন্ত চীনা কূটনীতিকে পরিচালিত করেছে। ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল অক্ষশক্তির মধ্যে সরাসরি সংঘাতে কোনো এক পক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করা হবে হস্তক্ষেপের এক চরম নিদর্শন, ঠিক সেই ধরনের জড়িয়ে পড়া দায়বদ্ধতা, যা চীন চার দশক ধরে এড়িয়ে চলেছে।
এই ধারণাটিই চীনের ১৯৮০-পরবর্তী পররাষ্ট্রনীতির ডিএনএর পরিপন্থী। দ্বিতীয়ত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ মোকাবেলায় চীনের ভূমিকা দেখুন। পশ্চিমা দেশগুলো যেখানে অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য ও নিষেধাজ্ঞা সরবরাহ করেছে, সেখানে চীন ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধবিরতি ও শান্তিপূর্ণ আলোচনার আহ্বান জানিয়ে এসেছে। তীব্র চাপ এবং এমন জল্পনা-কল্পনা সত্ত্বেও বেইজিং মস্কোকে কোনো প্রাণঘাতী সহায়তা পাঠায়নি। 

বিষয়টি স্পষ্ট : চীন বিশ্বাস করে যে সংঘাত ও যুদ্ধের অবসান আলোচনার টেবিলে হওয়া উচিত, পরিস্থিতি আরো খারাপ করে নয়।

ইরানই বা ভিন্ন হবে কেন? 

২০২৩ সালে বেইজিং ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলাতে মধ্যস্থতা করেছিল, যেখানে ধ্বংসের পরিবর্তে সংলাপের মডেলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। তেহরানকে অস্ত্রসজ্জিত করা হলে সেই মডেলটি ভস্মীভূত হয়ে যাবে। সূত্র : মিডল ইস্ট আই

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com