সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মহানবী সা. মিসওয়াক করতেন যেভাবে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে ইরানে বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ উপমন্ত্রী গোলাম হোসেন মোহাম্মদী দুই দিন আগে জানিয়েছেন, যুদ্ধের কারণে ২০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ ইরানিদের মধ্যে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ব্যাপক ছাঁটাই। নিয়োগকর্তা ও সরকারি কর্মকর্তারা একে ‘শ্রমশক্তির ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করছেন।

 

বিমান হামলার শিকার হয়ে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর বাইরেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যান্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, খুচরা বিক্রেতা, আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা এবং ডিজিটাল খাতও এর অন্তর্ভুক্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একজন লিখেছেন, ‘মেট্রোর জনশূন্যতা দেখলেই এটি বোঝা যায়।’ অন্য একজন বলেছেন, ‘অফিসের কাছে পার্কিংয়ের প্রচুর খালি জায়গা দেখে এটি বোঝা যাচ্ছে।

’ তেহরানের হিম্মত মহাসড়কের ফাঁকা অবস্থার কথা উল্লেখ করে আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে আমার সময় লেগেছে মাত্র আধাঘণ্টা।’ 

যুদ্ধ ভোক্তা ব্যয়ের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অনেক মানুষ খরচ কমিয়ে শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে, যা পর্যটন, রেস্তোরাঁ ও মুদি দোকান ছাড়া অন্যান্য খুচরা বিক্রেতা খাতের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানি কর্তৃপক্ষের ইন্টারনেট ব্ল্যাক-আউট বা ইন্টারনেট শাটডাউনের সিদ্ধান্ত দেশটির তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ প্রযুক্তি ও ডিজিটাল খাতকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, নজরদারি, গুপ্তচরবৃত্তি ও সাইবার হামলা ঠেকাতে নিরাপত্তার স্বার্থে ইন্টারনেট বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরের শুরুর দিকে বিক্ষোভ দমনেও কর্তৃপক্ষ একই পদক্ষেপ নিয়েছিল, যার মূল লক্ষ্য ছিল বিক্ষোভকারীদের সংগঠিত হওয়ার ক্ষমতা এবং তথ্যে প্রবেশাধিকার সীমিত করা। 

গত জানুয়ারিতে ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী সাত্তার হাশেমি বলেছিলেন, প্রতিদিন ইন্টারনেট বন্ধের কারণে অর্থনীতির অন্তত ৫০ ট্রিলিয়ন রিয়াল (তিন কোটি ৫০ লাখ ডলার, দুই কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড, তিন কোটি ২০ লাখ ইউরো) ক্ষতি হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৫২ দিনের ইন্টারনেট শাটডাউনে ইরানি অর্থনীতির ১৮০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে।

ইন্টারনেট শাটডাউনে বিশেষ করে ক্ষতির শিকার হয়েছেন কর্মজীবী নারীরা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ইরানে কর্মক্ষম প্রতি ৯ জন নারীর মধ্যে মাত্র একজন কর্মরত ছিলেন। পণ্য বিক্রির জন্য গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে লাখ লাখ নারী ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। সূত্র : রয়টার্স 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com