সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

টিকা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করুন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে
সরকারি হিসাবে গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৮ শিশু মারা গেছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৮৫ শিশু। এই ১৮৫ শিশুর মা-বাবা জানতেই পারলেন না, তাঁদের সন্তান কোন রোগে মারা গেল। তাহলে তাদের চিকিৎসা কিভাবে হয়, কিভাবে ওষুধ দেওয়া হয়, তা আমাদের জানা নেই। যত দূর জানা গেছে, এই জানতে না পারার কারণ হলো হাম শনাক্ত করার জন্য যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়, তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকা।

 

গতকাল কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে রয়েছে দেশের একমাত্র গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও সংক্রামক রোগের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি)। এই প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞসহ প্রায় অর্ধশত চিকিৎসকের পাশাপাশি উন্নত ল্যাব সুবিধাও আছে। জানা গেছে, বিআইটিআইডিসহ চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি এবং বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাবলিক হেলথ ইনস্টিটিউটের (আইপিএইচ) ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে (এনপিএমএল) পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই অনেক শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

তখন তাদের স্থান হয় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া রোগীদের তালিকায়। চট্টগ্রামের অবস্থা থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, সারা দেশে রোগ নির্ণয়ের কী দুরবস্থা! 

জানা গেছে, বিআইটিআইডিতে থাকা ১২০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে সংক্রামক রোগ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ থেকে ২০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আরো শতাধিক রোগী উপসর্গ ও হাম নিয়ে চিকিৎসাধীন। বিআইটিআইডিতে কোনো আইসিইউও নেই।

করোনার সময় সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে আইসিইউ চালু করা হলেও পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। অথচ গণমাধ্যমে আসা খবরাখবরে জানা যায়, সারা দেশে পর্যাপ্ত আইসিইউ ব্যবস্থা না থাকায় হামে শিশুদের মৃত্যু বেশি হচ্ছে। আমাদের বোধগম্য নয়, বিআইটিআইডির মতো গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলোতেও কেন আইসিইউয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিআইটিআইডিতে হাম রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষাটি চালু করা প্রয়োজন, তাহলে অন্তত চট্টগ্রাম ও আশপাশের রোগীরা উপকৃত হবে। চিকিৎসকরা জানান, কিট সরবরাহ করা হলে বিআইটিআইডিতে হামের পরীক্ষা করা যাবে।
সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় পাঠানো অনেক নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে দেরি হচ্ছে। 

হাম নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে টিকা কর্মসূচিতে আরো বেশি জোর দিতে হবে। পাশাপাশি সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবার সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com