গতকাল কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে রয়েছে দেশের একমাত্র গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও সংক্রামক রোগের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি)। এই প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞসহ প্রায় অর্ধশত চিকিৎসকের পাশাপাশি উন্নত ল্যাব সুবিধাও আছে। জানা গেছে, বিআইটিআইডিসহ চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি এবং বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাবলিক হেলথ ইনস্টিটিউটের (আইপিএইচ) ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে (এনপিএমএল) পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই অনেক শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
জানা গেছে, বিআইটিআইডিতে থাকা ১২০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে সংক্রামক রোগ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ থেকে ২০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আরো শতাধিক রোগী উপসর্গ ও হাম নিয়ে চিকিৎসাধীন। বিআইটিআইডিতে কোনো আইসিইউও নেই।
হাম নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে টিকা কর্মসূচিতে আরো বেশি জোর দিতে হবে। পাশাপাশি সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবার সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে।