সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

কিশোরগঞ্জে শিলাবৃষ্টি, চার হাজার হেক্টর বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রসহ ভয়াবহ শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি সবজি খেতেরও অনেক ক্ষতি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ও রাতে এবং আজ বুধবার বিকেলে তিন দফায় হওয়া এই বৃষ্টিতে জেলার ৩ হাজার ৮৬৪ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া কয়েক একর সবজি খেতেরও ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে জেলার হাওরাঞ্চলেই ক্ষতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওর অধ্যুষিত মিঠামইনের ঢাকি, কেওয়ারজোড়, ইটনা, অষ্টগ্রাম ও নিকলী উপজেলাসহ জেলা সদর, পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর, কটিয়াদী ও ভৈরবের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয়। অনেক স্থানে শিলার পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে জমি ও সড়ক সাদা হয়ে যায়।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মিঠামইন উপজেলায়, প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ইটনায় ৯৮৬ হেক্টর, অষ্টগ্রামে ১৪০ হেক্টর, নিকলীতে ১০০ হেক্টর, পাকুন্দিয়ায় ১২০ হেক্টর, হোসেনপুরে ১০ হেক্টর, কুলিয়ারচরে ৬ হেক্টর এবং ভৈরবে ২ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মিঠামইনের ঢাকি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইব্রাহিম মিয়া, নাইমুল ইসলামসহ কয়েকজন কৃষক জানান, হাওরে শিলাবৃষ্টিতে শত শত কৃষকের অনেক জমির কাঁচা-পাকা ধান মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। শিলার আঘাতে ধানগাছ থেঁতলে গেছে। কোথাও কোথাও বোরো ধানের ছড়া ভেঙে গেছে এবং গাছ হেলে পড়েছে, যা অকাল ধান কাটার বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে। এ ছাড়া হাওরাঞ্চলের অনেক এলাকায় টিনের চাল শিলাবৃষ্টিতে ছিদ্র হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পাকুন্দিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শিলাবৃষ্টিতে সবজির খেতের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।

জেলার নিকলী আবহাওয়া কার্যালয়ের কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন জানান, গতকাল রাতে নিকলীতে ১৯ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি শিলাবৃষ্টিও হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাদিকুর রহমান বলেন, শিলাবৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বোরো ধানের। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে ক্ষতির মাত্রা বেশি। আজ দুপুরে হাওরের মিঠামইনের ঢাকিসহ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে এসেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকাসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে জেলায় শিলাবৃষ্টিতে ৩ হাজার ৮৬৪ হেক্টর জমির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com