ময়মনসিংহের ভালুকায় রাহিমা খাতুন (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শবিবার রাতে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রামের গাংগাটিয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃববধূর স্বামীর নাম বিল্লাল হোসেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেয়ে সোমাইয়া আক্তারকে পুলিশ আটক করেছে। এলাকাবাসীর ধারণা, মেয়ের প্রেমে স্বীকৃতি না দেওয়ায় মা খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় রাহিমার ছোট ভাই রাসেল মিয়া ভালুকা মডেল থানায় সোমাইয়াকে প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে রাহিমা ও তার মেয়ে সোমাইয়া রাতের আহার শেষে একই ঘরের দুই পৃথক কক্ষে ঘুমাতে যান। এরপর রাহিমাকে কে বা কারা হত্যা করেছে কিছুই বলতে পারে না। সে শুধু জানায়, ঘরের ভেতরে বিড়াল ঢুকলে যেমন শব্দ হয়, সে তেমনি একটা শব্দ শুনেছে। কিছুক্ষণ পর পাশের কক্ষে গিয়ে দেখে তার মায়ের বিছানা রক্তে ভেসে গেছে। ঘটনার সময় রাহিমার স্বামী বিল্লাল হোসেন সিডস্টোর বাজারে ছিলেন। বিল্লাল সিডস্টোর বাজারে লেপতোশকের ব্যবসা করেন। রাহিমার গলা কাটার পর তিনি বাঁচার জন্য ঘর থেকে বাইরে আসার চেষ্টা করলে বারান্দায় এসে পড়ে যান এবং সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য সিআইডি পুলিশের ক্রাইম সিন লাশের আঘাতের চিহ্ন, ঘটনাস্থলের ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করেছে। সোমাইয়া দশম শ্রেণির ছাত্রী। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জানান, খুন হওয়ার সময় সোমাইয়া পাশের রুমেই ছিল। তারপরও সে তেমন কিছুই জানে না বলে আমাদের জানালে তার কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।