সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নারী ভোটার ফ্যাক্টর মুক্তাগাছায় বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ থেকে সিরাজুল হক সরকার:
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কোনো আওয়ামী লীগ প্রার্থী নেই। জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও পরবর্তীতে তা জমা দেননি। ফলে মূলত বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অন্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের উপস্থিতি অনেকটাই নামমাত্র।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। মুক্তাগাছা আসনে মোট ভোটারের প্রায় ৫১ শতাংশ নারী। এ কারণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটার একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে সামনে এসেছে। পুরুষ ভোটারের পাশাপাশি নারী ভোটারদের গুরুত্ব এবার অনেক বেশি বেড়েছে।
বিগত নির্বাচনে নারী ভোটারদের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেওয়া না হলেও এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে নারী ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা নারী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় নারী ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করছেন। প্রতিদিনই নারী নেত্রী ও কর্মীরা সক্রিয়ভাবে তাদের জনসংযোগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
মুক্তাগাছা আসনে বিএনপির প্রার্থী ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু এবং জামায়াতের প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় উপকমিটির প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। উভয় প্রার্থীই প্রতিদিন নিজ নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে মূলত দুটি দলের মধ্যেই ভোটের সমীকরণ তৈরি হবে। নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা স্পষ্ট হলেও নারী ভোটার এখানে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অনেকেই। যে দল নারী ভোটারদের বেশি আকৃষ্ট করতে পারবে, জয় তাদের দিকেই ঝুঁকতে পারে। তবে ভোটার উপস্থিতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও তা জমা না দেওয়ায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। পরবর্তীতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেন। অবশিষ্ট নেতাকর্মীদের নিয়ে সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি নিজ বাড়িতে বৈঠক করে বিএনপি প্রার্থীর ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এতে মুক্তাগাছায় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
জাতীয় পার্টি বিএনপিকে সমর্থন দিলেও, সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হলে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ফলাফল নির্ভর করবে ভোটার উপস্থিতি এবং প্রার্থীদের জনসংযোগ কার্যক্রম কতটা ধারাবাহিক ও কার্যকর হয় তার ওপর। ভোটারদের মন জয় করতে যে দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে সক্রিয় থাকবে, তাদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।#

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com